প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বউয়ের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা ঢুকলেও মহিলাদের বিক্ষোভে সামিল স্বামী! আর তাই নিয়ে সরকারি আধিকারিক এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বাঁধল তুমুল অশান্তি (Annapurna Protest)। অভিযোগ এই বিক্ষোভের নেপথ্যে বিরোধীদের কারসাজি রয়েছে। আর তাই নিয়ে তুমুল অশান্তি শুরু হল আসানসোলের (Asansol) বরাকরে।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিক্ষোভ
এইমুহুর্তে খবরের শিরোনামে বারংবার উঠে আসছে অন্নপূর্ণা যোজনার কথা। সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ করলেও বিগত তিন মাস ধরে অনেকেই টাকা পাচ্ছেন না। রাজ্য সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১৭ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছনোর কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকলেও এখনও বহু উপভোক্তা টাকা পাননি বলে অভিযোগ। তাই বিভিন্ন জেলায় মহকুমা শাসক ও ব্লক অফিসে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। একই ঘটনা ঘটে আসানসোলের অন্তর্গত বরাকরে। কিন্তু সেখানে মহিলাদের মিছিলে দেখা গেল অন্য ঘটনা।
ঠিক কী ঘটেছিল?
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পাওয়ায় মহিলাদের সঙ্গে অনেক যুবককে বিক্ষোভ মিছিল করতে, কিন্তু পরে জানা যায় এক বিক্ষোভকারীর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢোকা সত্ত্বেও সার্বিক বঞ্চনা ফর্ম ফিলাপে ত্রুটি ও হয়রানির অভিযোগে মহিলাদের সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল হয়েছে। আর সেই খবর জানাজানি হতেই পুলিশ এবং সরকারি আধিকারিকরা তাঁকে ধরে ফেলে। সেই নিয়ে মিছিলের মধ্যে শুরু হয় তুমুল অশান্তি। অভিযোগ সমাজে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়াতে অনেকেই বিক্ষোভ করে চলেছে। যদিও পরে সেই ব্যক্তি পুলিশের কাছে ক্ষমা চান। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে বিক্ষোভে উস্কানি দেওয়ার জন্য নির্দেশ পাঠাচ্ছে কারা ?
আরও পড়ুন: ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করে বসেছিল তৃণমূল, ময়দানে নামল কলকাতা পুরসভার বুলডোজার
প্রসঙ্গত, গতকাল, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মহিলাদের ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ রীতিমত পূর্বতন সরকারকে দায়ী করেছিলেন। দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “অভ্যাস হয়ে গিয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে। এটাও জানা উচিত, সব সুবিধা সকলের জন্য নয়। কেন্দ্রীয় সরকার নানা প্রকল্প করেছে। রাজ্য সরকারও করেছে। তার একটা সীমা আছে। তার জন্য ক্রাইটেরিয়া ঠিক করা আছে। এর মধ্যে যাঁরা পড়বেন, তাঁরা পাবেন। দানধ্যান সবাইকে দেওয়া হবে, এই অভ্যাসটা খারাপ করে দিয়েছে তৃণমূল। এটা সবাইকে বুঝতে হবে। এটা চলতে পারে না।”










