বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ (CJP Protest) কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগেই আটক করা হয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে। পরবর্তীতে তাঁদের ভারতীয় ন্যায় সংহীতার বিশেষ ধারায় গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করা হলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁদের তিনজনকেই বিশেষ শর্তে মুক্তি দিয়েছে। অন্যদিকে, জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে (Dhruv Rathee) গতকাল আটক করা হয়েছিল তাঁর গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে। তাঁকেও ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
কোন শর্তে ছাড়া হল অভিজিতদের?
রবিবার, দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত এসইএম আদালতে পেশ করা হয় ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতাকে। সেখানেই ম্যাজিস্ট্রেট জানতে চান ঠিক কোন ধারায় অভিজিতদের গ্রেফতার করা হয়েছে? এদিন শুনানির পর প্রধান বিচারপতির আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং জানান, বিএনএসএস আইনের 126/170 ধারায় তিন নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মূলত প্রতিশোধমূলক ধারায় তাঁদের হেফাজতে রাখা হয়েছিল। তবে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আরশোলাদের তিন নেতাকেই ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী এক বছর বিক্ষোভ কর্মসূচি বা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে যাতে দেশের শান্তি বিঘ্নিত না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে এই তিন নেতাকে। মূলত এমন শর্তেই তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। এদিকে ছাড়া পাওয়ার পরই আশুতোষ রাঙ্কা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, রবিবার দুপুর দুটো নাগাদ প্রেস কনফারেন্স করবেন তাঁরা। সেখানেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হবে সাংবাদিকদের।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবের বিমানবন্দরে জোরালো হামলা হুথিদের, নিহত ১২, আহত ৩০৯
এদিকে, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, শনিবার ভোররাত 3 টের আগেই জনপ্রিয় ইউটিউবার তথা জার্মানির বাসিন্দা ধ্রুবকে ছেড়েছে পুলিশ। জানা যায়, প্রাথমিকভাবে পুলিশের তরফে ধ্রুবকে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে তিনি সেটা না মানায় একেবারে ইউটিউবারের বাড়ি থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ।










