সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যে হারে গরম পড়েছে, সেখানে বাড়ি থেকে বেরনো যেন দায় হয়ে পড়েছে। গরমে রীতিমতো হাঁসফাঁস করছেন সকলে। কবে যে একটু তাপমাত্রা কমবে, ভালোভাবে বৃষ্টি হবে, সেই অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে। এদিকে এরই মাঝে স্কুল পড়ুয়াদের জন্য রইল বিরাট খবর। গরমের কথা মাথায় রেখে গরমের ছুটির (Summer Vacation) ঘোষণা করা হল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। ঘোষণা করা হয়েছে, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১৫ জুন, ২০২৬ অবধি স্কুল বন্ধের। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।
২০ এপ্রিল থেকে স্কুলে গরমের ছুটি ঘোষণা রাজ্যের
এই তীব্র গরমে ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের স্কুল পাঠানো নিয়েও চিন্তিত অভিভাবকরা। শরীর ঠিক থাকবে কিনা, তা নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। যে কারণে টানা ৫৭ দিন স্কুল বন্ধ রাখার ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। আসলে ছত্তিশগড়ে ক্রমবর্ধমান তাপপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার স্কুল ছাত্রছাত্রীদের জন্য গ্রীষ্মকালীন ছুটি ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ এই বিষয়ে একটি পোস্ট করেছেন।
प्रदेश में बढ़ती भीषण गर्मी और लू के प्रभाव को ध्यान में रखते हुए बच्चों के स्वास्थ्य की सुरक्षा सर्वोच्च प्राथमिकता है।
इसी को ध्यान में रखते हुए हमारी सरकार ने स्कूलों के ग्रीष्मकालीन अवकाश को पूर्व निर्धारित तिथि से पहले लागू करते हुए अब 20 अप्रैल से 15 जून तक घोषित किया है -…
— Vishnu Deo Sai (@vishnudsai) April 16, 2026
মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে রাজ্যের সমস্ত স্কুলে ২০ এপ্রিল থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন ছুটি থাকবে। রাজ্যে ক্রমাগত বাড়তে থাকা তাপমাত্রা এবং তাপপ্রবাহের আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন যে, রাজ্যে ক্রমবর্ধমান তাপ এবং তাপপ্রবাহের প্রভাবের কথা মাথায় রেখে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন ডুয়ার্সের স্বর্গ গারুচিরা, ফিরবেন মন ভরা ভালোবাসা নিয়ে
হু হু করে বাড়ছে তাপমাত্রা
মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘গরমের বিষয়টি মাথায় রেখে, আমাদের সরকার এই তীব্র গরমে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য স্কুলের গ্রীষ্মকালীন ছুটি পূর্বনির্ধারিত তারিখ থেকে বাড়িয়ে ২০ এপ্রিল থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত করেছে।’ আসলে গত কয়েকদিন ধরে ছত্তিশগড়ের অনেক জেলায় তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে জারি করা সতর্কতা এবং তাপপ্রবাহের সম্ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে, সরকার এই বড় পদক্ষেপ নিয়েছে, যা স্কুলছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি দেবে। এই তীব্র গরম শিশুদের স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই, ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষা এবং তাদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।










