সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সরকারি কর্মচারীদের (Government Employee) জন্য সুখবর। সম্প্রতি রাজ্যসভায় অনুমোদিত হয়েছে ‘সেক্রেড বন্ড প্যারেন্ট কেয়ার লিভ বিল, ২০২৬’। যার আওতায় বৃদ্ধ বাবা-মা কিংবা শ্বশুর-শাশুড়ির চিকিৎসার জন্য একটানা ৪৫ দিন ছুটি নিতে পারবেন কর্মীরা। এমনকি এর জন্য ১ টাকাও বেতন কাটা হবে না। এই বিলের মূল উদ্দেশ্যই হল, অসুস্থ বা বয়স্ক বাবা-মায়ের দেখাশোনার জন্য কর্মীদের বিশেষ ছুটির অধিকার প্রদান করা।
মিলবে একটানা ৪৫ দিন ছুটির সুযোগ
এই বিলের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৬০ বছর কিংবা তার বেশি বয়সী বাবা-মা বা শ্বশুর-শাশুড়ির চিকিৎসার জন্য কর্মীরা তাদের সম্পূর্ণ চাকরি জীবনে সর্বোচ্চ ৪৫ দিনের প্যারেন্ট কেয়ার লিভ পাবেন। তবে এটি সম্পূর্ণ সবেতন ছুটি হবে এবং ক্যাজুয়াল বা আর্নড লিভের মতো অন্য ছুটি কাটা যাবে না, আর এর জন্য বেতনও কাটবে না। তবে এই ছুটির সুবিধা কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারি দফতরের পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এবং ১০ জনের বেশি কর্মী থাকা বেসরকারি সংস্থাগুলির ক্ষেত্রেও বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
তবে বলে রাখা প্রয়োজন, এই ছুটির আবেদনের জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের শংসাপত্র বা হাসপাতালে ভর্তির প্রমাণপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। জরুরি পরিস্থিতিতে আগে থেকে অনুমতি না দিলেও ৭ দিনের মধ্যে প্রমাণপত্র জমা করতে হয়। কিন্তু জাল নথি প্রদান করলে সেই সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি কোনও সংস্থা বা মালিক যদি বৈধ কারণ ছাড়া ছুটি বাতিল করে কিংবা কর্মীকে হয়রানি করে, তাহলে তাদের ৫০ হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানাও হতে পারে। আর এই ছুটি নিলে কর্মীর প্রমোশন কিংবা বেতন বৃদ্ধিতেও কোনও রকম প্রভাব পড়ে না।
सरकारी कर्मचारियों के लिए #parents_care_leave पर बड़ा update: 45 दिन सवैतनिक छुट्टी का प्रस्ताव: राज्य सभा में बिल पेश : मंजूर
*”माता-पिता की सेवा अब अधिकार: ‘पवित्र बंधन अवकाश विधेयक 2026’ से कर्मचारियों को मिलेगा 45 दिन का सवेतन अवकाश मिलेगा*।… pic.twitter.com/yDJzo5rmjy
— शिक्षक वाणी (@basicshikcha_4U) September 5, 2026
আরও পড়ুন: ‘আমরা যাদবপুরে ঢুকব না, কিন্তু দেশবিরোধী স্লোগান দিলে’ কড়া হুঁশিয়ারি শমীক ভট্টাচার্যের
আসলে বর্তমান সময়ে কাজের তাগিদে বহু মানুষ পরিবারের থেকে অনেক দূরে থাকেন। তবে সন্তান ও বাবা-মায়ের জোড়া দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে চাপের মধ্যে পড়েন ৩৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সী কর্মীরা। আর তাদের সেই মানসিক ও আর্থিক চাপ সামাল দেওয়ার জন্যই সরকারের এই পদক্ষেপ। বিশেষ করে বাবা-মায়ের পাশে থাকার জন্যই এই বিল আনা হয়েছে রাজ্যসভায়।










