সোশ্যাল মিডিয়ায় রাশ! সরকারি কর্মীদের জন্য আসতে পারে নয়া কোড অব কন্ডাক্ট

Published:

Government Employee

সহেলি মিত্র, কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের (Government Employees) জন্য রইল অত্যন্ত জরুরি খবর। এবার আপনি ফোনে কী দেখছেন বা কী করছেন তা সবটাই নজরদারি চালাবে সরকার। কাজের ফাঁকে যদি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন এবং কতক্ষণ ব্যবহার করছেন সেই বিষয়ের ওপরেও তীক্ষ্ণ নজর রাখবে সরকার বলে খবর। আসলে মোদী সরকার সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের জন্য একটি নতুন আচরণবিধি প্রবর্তনের কথা ভাবনাচিন্তা করছে।

সরকারি কর্মীদের ওপর নজর রাখবে সরকার?

X, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে কর্মীদের রিল, ভিডিও এবং ব্যক্তিগত মতামত পোস্ট করার বিষয়ে রাশ টানতে চাইছে সরকার। প্রস্তাবিত এই নিয়ম সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য হতে পারে। তবে, আচরণবিধিটি কখন জারি করা হবে এবং এর নিয়মনগুলো কী হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে কর্মকর্তাদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ে ভিডিও বা মতামত পোস্ট করা থেকে বিরত রাখতে একটি আচরণবিধি প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

কবে নিয়ম আনছে সরকার?

সূত্র জানাচ্ছে, আচরণবিধিটি নিয়ে পাকাপাকি সিদ্ধান্তে উপনীত হলেই তাই জারি করা হবে এবং পদমর্যাদা নির্বিশেষে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর জন্য তা প্রযোজ্য হবে। সূত্রের খবর, যেহেতু বর্তমানে এ ধরনের কোনো নিয়ম নেই, তাই সরকার একটি সোশ্যাল মিডিয়া আচরণবিধির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে। গত মাসে, সরকার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে সংবেদনশীল বিষয়ের জন্য অনলাইন কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলার সময় আগের ২৪ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে দুই ঘণ্টা করেছিল।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর APAAR আইডি, কীভাবে বানাবেন এই কার্ড? জেনে নিন

ডিপফেক এবং AI কন্টেন্টসহ কৃত্রিমভাবে তৈরি তথ্য (SGI) থেকে উদ্ভূত ক্ষতি মোকাবেলায় নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি আইটি বিধিমালা ২০২১-এ সংশোধনী আনা হয়েছে। ৬ আগস্ট জারি করা একটি সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সম্মতি পালনের সময়সীমা কঠোর করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে যথাযথ সরকারি দপ্তর থেকে বৈধ ও যুক্তিসঙ্গত তথ্য পেয়ে বা আদালতের আদেশক্রমে বেআইনি তথ্য সম্পর্কে প্রকৃত জ্ঞান লাভের পর তা অপসারণের সময়সীমা ৩৬ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ৩ ঘণ্টা করা হয়েছে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির (নগ্নতা/ছদ্মবেশ ধারণ ইত্যাদির মতো বিশেষ বিভাগসহ), সংবেদনশীল বিষয়গুলোর জন্য যথাক্রমে ৭২ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ৩৬ ঘণ্টা এবং ২৪ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ২ ঘণ্টা করা হয়েছে।”