কাশ্মীরে ফের এনকাউন্টার, সেনার গুলিতে খতম মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর নেতা মুসা

Published:

Lashkar Leader Killed

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) সন্ত্রাসী বিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য ভারতীয় নেতার। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে সেনার গুলিতে মৃত্যু হল লস্কর জঙ্গিদের এক শীর্ষনেতা (Lashkar Leader Killed)। জানা গিয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার মধ্য কাশ্মীরের বদগাঁও জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে সেনা ও জঙ্গিদের মধ্যে গুলির লড়াই চলাকালীন ওই জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। অনেক দিন ধরেই নাকি তাঁর খোঁজ করছিল ভারতীয় সেনা। অবশেষে ওই শীর্ষ জঙ্গিকে খতম করল নিরাপত্তা বাহিনী।

নিহত মোস্ট ওয়ান্টেড লস্কর জঙ্গির শীর্ষ নেতা

গতকাল মঙ্গলবার ভারতীয় সেনার চিনার কোরের তরফে জানানো হয়েছে, সেনারা মধ্য কাশ্মীরের ইউসমার্গের কোরাগ এলাকায় বদগাঁওয়ে একটি অভিযান শুরু করেছিল। তখনই জওয়ানেরা ওই এলাকায় জঙ্গিদের কিছু সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ করেন। আর তার পরেই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। জঙ্গিদের ঘাঁটিতে সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু হতেই পাল্টা জবাব দেয় সেনারা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে দুই পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই চলার পর এক জঙ্গি নিহত হন। আর ওই নিহত লস্কর জঙ্গির নাম সুলেমান শাহ ওরফে মুসা। একাধিক হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল মুসার বিরুদ্ধে।

ইয়াসির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল মুসা

জানা গিয়েছে, এখনও এলাকায় অভিযান চলছে ভারতীয় সেনার। তবে সংঘর্ষস্থল থেকে কোনও অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। জানা গিয়েছে নিহত জঙ্গি সুলেমান শাহ ওরফে মুসা বিগত কয়েক দিন ধরেই পীরপঞ্জাল পর্বতমালার দু’দিকে একাধিক হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। সেই কারণে তাঁর খোঁজ চলছিল ওই এলাকায়। এদিকে চলতি মাসের শুরুতে বদগাঁও এবং পুঞ্চ জেলার সীমানায় অভিযানের সময় ইউসমার্গে ভারতীয় সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছিলেন লস্কর-এ-ত্যায়বার কুখ্যাত কমান্ডার ইয়াসির। তিনিই নাকি মুসার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।

আরও পড়ুন: পুজোর আগে শপিং করে বাড়ি ফেরা নিয়ে চিন্তা শেষ! চলবে অতিরিক্ত মেট্রো, কবে কবে? দেখুন

ভারতীয় সেনাকর্তাদের মতে, জম্মু ও কাশ্মীরে লস্কর-এ-ত্যায়বার নেটওয়ার্ক বিস্তার করার নেপথ্যে ছিলেন সুলেমান শাহ ওরফে মুসা। উপত্যকা জুড়ে নানা ধরনের জঙ্গি হামলার কারিগর তিনি। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর মৃত্যু ওই এলাকায় লস্কর-এ-ত্যায়বার কাছে বিরাট ক্ষতি বলে মনে করছে ভারতীয় সেনা। তাই আশা করা যাচ্ছে এই সুযোগে এবার একের পর এক জঙ্গিকে হাতের নাগালে আনা যাবে।

google button