অনন্যা সরকার, বিহার: কাজের সূত্রে রাশিয়া গিয়েছিলেন ভাগলপুরের রাহুল যাদব। সেখানে গিয়ে বিদেশিনী জুলির সাথে আলাপ হয় তাঁর। বন্ধুত্ব প্রেমে পরিণত হতে বেশিদিন সময় লাগেনি (Love Story)। রাহুল ও জুলি দু’জনেই দ্বিধায় ছিলেন। দেশ, সংস্কৃতি, ভাষা হোক বা আর্থিক অবস্থা – কোনদিক থেকেই দু’জনের তুলনা চলে না। কী পরিণতি হবে তাঁদের এই সম্পর্কের, তা নিয়ে চিন্তিত ছিল দুটি পরিবারও। কিন্তু ভালোবাসার কাছে হার মানে সমস্ত যুক্তি-তর্ক। জুলি দুদিন আগেই ভাগলপুরে রাহুলের বাড়ি চলে এসেছেন। নভেম্বরে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা। রাহুল থাকেন একটি অস্থায়ী বাড়িতে। তবুও ভ্রুক্ষেপ করেনি জুলি, সে ওই কুঁড়েঘরেই তাঁর স্বপ্নের সংসার পাততে রাজি।
কীভাবে হল রাশিয়ান জুলি ও ভারতীয় রাহুলের প্রেম?
বিহারের ভাগলপুর জেলার বাসিন্দা রাহুল যাদব এবং রাশিয়ার বাসিন্দা জুলির প্রেমের গল্প এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সাত সমুদ্রের গণ্ডি পার করে ও সাংস্কৃতিক ভিন্নতাকে দূরে সরিয়ে গড়ে ওঠা এই অনন্য প্রেমের সম্পর্ক শীঘ্রই পরিণতি পেতে চলেছে। সবকিছুর সূত্রপাত হয় যখন রাহুল যাদব কর্মসূত্রে রাশিয়া যান। সেখানেই জুলির সঙ্গে তাঁর আলাপ। ধীরে ধীরে তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রেমে পরিণত হয় এবং তাঁরা সারাজীবন একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন।
Bhagalpur, Bihar.
Rahul Yadav went Russia for job, where he met a Russian girl named jullie.
Jullie came all the way to Bihar, he took her to his village where he spent his childhood.
They are getting married soon. ❤️ https://t.co/Pn8hYEw3JH
— Priyanka Choudhary (@Priyank92678508) October 12, 2026
এদিকে, রাশিয়ার কাজ মিটিয়ে রাহুলকে বাড়ি ফিরে আসতে হয়েছিল। কিন্তু জুলি এক মুহূর্তের জন্যও এই দূরত্ব মেনে নিতে পারছিলেন না। তাঁদের সম্পর্ককে পূর্ণতা দিতে, বিদেশী অতিথি জুলি তাঁর পরিবার সহ ভাগলপুরে এসে পৌঁছায়। সপরিবারে রাশিয়ান জুলির আগমন রাহুলের পাড়া প্রতিবেশীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি করেছে। জুলির পরিবারের সঙ্গে রাহুল যাদবের পরিবারের কথাবার্তা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে যে, দুই পরিবার ইতিমধ্যেই বিয়ের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে।
আরও পড়ুন: দীপাবলিতে বিশেষ উপহার মোদী সরকারের, স্থগিত হল UPI লেনদেনে MDR চার্জ
জানা গেছে, রাশিয়ার জুলি ও ভাগলপুরের রাহুল এই বছরের নভেম্বরেই গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন। বিয়ের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, যা দুই পরিবারের সম্মতিতে এবং স্থানীয় রীতিনীতি মেনেই সম্পন্ন হবে। এদিকে, জুলি যখন রাহুলের বাড়িতে পৌঁছান, তখন রাহুল তাকে জানান যে তার কোনো বড় অট্টালিকা নেই, তিনি খুবই সাধারণ একটি ঝুপড়িতে থাকেন, যেখানে জুলির পক্ষে থাকা কষ্টকর। তবে, জুলি তাকে বলেন যে তিনি তার জন্য বাংলো ছেড়ে দিয়ে, কুঁড়েঘরেও থাকতে রাজি আছেন।










