সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বিহারে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। বেগুসরাই জেলায় এক মহিলার উপর নৃশংস যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ছড়িয়ে পড়েছে চাঞ্চল্য (Bihar Rape Case)। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের আগুন সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি পুলিশ ইতিমধ্যে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে শুরু করেছে তদন্ত। আর অভিযুক্তদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
বিহারে গণধর্ষণ
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটে গত ১১ জুন রাতে বেগুসরাই জেলার চাকিয়া থানা এলাকার একটি গ্রামে। নির্যাতিতার দাবি অনুযায়ী, গভীর রাতে কয়েকজন ব্যক্তি জোর করে বাড়িতে ঢুকে প্রথমে তাঁর পরিবারের সদস্যদের আটকে রাখে। তারপর মহিলার উপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। ঘটনার পর শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই মহিলা। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, এবং প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বাড়ি ফেরার পরেও শারীরিক যন্ত্রণায় ভোগেন তিনি। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১৭ জুন তাঁকে পুনরায় আবার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের আরও বিস্তারিত পরীক্ষার পর বিষয়টি সামনে আসে।
এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে। জেলার পুলিশ সুপার জানান, গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তদন্তের স্বার্থে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে তদন্তকারী দল কাজ শুরু করেছে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক। তাদের গ্রেফতারের জন্য একাধিক জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন: প্রত্যন্ত গ্রামেও মিলবে পরিশ্রুত পানীয় জল! বাংলার জন্য ৩৯ হাজার কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের
জানলে শিউরে উঠবেন, চিকিৎসা চলাকালীন ডাক্তার ওই মহিলার গোপনাঙ্গ থেকে একটি গুলি, একটি পাথর এবং এক টুকরো কাঠ বার করেন। এমনকি ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন যে, অভিযুক্তর তাঁকে ফেলে যাওয়ার আগে একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করেছিল। তারপর তারা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই তাঁর পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল নিয়ে যান। ঘটনাটি প্রকাশ্য আসার পরই স্থানীয় বাসিন্দারা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। পাশাপাশি ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবিও উঠছে।










