সুদানের সোনার খনিতে ভয়াবহ হামলা, প্রাণ গেল ৭২ জন শ্রমিকের, দায় কার?

Published:

Sudan Gold Mine

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মিশর সীমান্তে সুদানের (Sudan) সোনার খনিতে (Gold Mine) ভয়াবহ বিমান হামলায় 72 জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আল জাজিরার রিপোর্ট অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলের সোনার খনিতে হামলার পর চারিদিকে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ওই হামলার পর যেসব শ্রমিকরা প্রাণে বেঁচেছেন তাঁদের বর্ণনা থেকে উঠে এসেছে বিরাট ধ্বংসযজ্ঞের ছবি। আর এই হামলার ঘটনায় আঙুল উঠছে মিশরীয় সামরিক বাহিনীর দিকে। যদিও এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মিশরের তরফে কিছুই জানানো হয়নি।

এক হামলায় প্রাণ গেল 72 জনের

খারতুমভিত্তিক অধিকার সংগঠনের তরফে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে জানানো হয়েছে, ‘একাধিক মিশরীয় যুদ্ধবিমান সুদানের ভেতরে ঢুকে উত্তর ওয়াদি এলাকায় বেসামরিক সোনার খনি শ্রমিকদের উপর হামলা চালিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় অন্তত 72 জনের মৃত্যু হয়েছে ঘটনাস্থলেই।’ যদিও এই হামলার খবর যাচাই করা হয়নি বলেই জানিয়েছে আল-জাজিরা। একই সাথে অভিযোগ উঠলেও মিশর সরকারের তরফে এ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি।

বলাই বাহুল্য, এর আগে চলতি বছরই সোনার খনিসমৃদ্ধ পাহাড়ি অঞ্চল জাবাল আল-উকাইদাতে বিমান হামলা হয়েছিল। সেই হামলায় মৃত্যু হয়েছিল অন্তত 23 জন শ্রমিকের। সেবার অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি জারি করে মিশরের সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছিল, নিজেদের সীমান্তের ভেতরে অবৈধ স্বর্ণ খনির বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়েছে তারা। ঠিক সে কারণেই এবারের হামলাতেও মিশরের দিকে উঠছে আঙুল।

আরও পড়ুন: ভারতের আন্দোলনকে সমর্থন করে বাংলাদেশে মশাল মিছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গালিগালাজ!

উল্লেখ্য, সুদান এবং মিশরের মধ্যে বিরোধ আজকের নয়। দুই দেশই হালায়েব ত্রিকোণ অঞ্চলকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে আসছে। যার কারণে বারবার দুই দেশের মধ্যে তৈরি হয়েছে সংঘাতের পরিস্থিতি। বিশেষ করে অভিযোগ উঠছে মিশরের সেনাবাহিনীর দিকেই। কূটনৈতিক মহলের অনেকেই মনে করছেন, সর্বশেষ হামলা যদি সত্যিই মিশরের তরফে হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে পাল্টা হামলা চালাতে পারে সুদানও!

google button