সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আবারও শিরোনামে ইন্দোনেশিয়া (Indonesia)। রবিবার সকালে ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে ব্যাপক অগ্ন্যুৎপাত (Indonesia Volcano Erupt) হয়। এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে দুটি ছাইয়ের স্তম্ভ তৈরি হয়, যার একটি ২০,০০০ ফুট এবং অন্যটি প্রায় ৫০,০০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছায়। ছাইয়ের স্তম্ভের কারণে জাকার্তার সুকর্ণ-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সব বিমান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে আপাতত। চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পর্যটকরা।
ইন্দোনেশিয়া ফের ফাটল আগ্নেয়গিরি
এই আগ্নেয়গিরিটি জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালীতে অবস্থিত। ভূতাত্ত্বিক সংস্থার মতে, শুক্রবার থেকে এখানকার কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছিল। এরপর আজ রবিবার ভোর ৩:৫৩ মিনিটে শুরু হয় অগ্ন্যুৎপাত। এটি প্রায় ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল। সিসিটিভি ক্যামেরায় আগ্নেয়গিরি থেকে লাভার ঝলকানিও দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সক্রিয় জ্বালামুখ থেকে অন্তত ৩ কিলোমিটার দূরে থাকার জন্য জনগণকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঘটনার বেশ কিছু ছবি এবং ভিডিও বিদ্যুতের গতিতে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
BREAKING: 🌋 Volcanic Eruption in Indonesia
On Sunday morning, the “Anak Krakatau” volcano in Indonesia erupted. Due to the widespread dispersal of volcanic ash, flight operations at Jakarta’s international airport were temporarily suspended, and all flights were canceled. pic.twitter.com/qiz7CDr8j4
— The Observer Lens (@TheObserverLens) September 6, 2026
এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে দুটি পৃথক ছাইয়ের মেঘ তৈরি হয়েছিল। প্রথমটি প্রায় ২০,০০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছেছিল এবং উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে জাকার্তা, বানতেন ও পশ্চিম জাভার কিছু অংশকে প্রভাবিত করেছিল। দ্বিতীয় ধোঁয়ার কুণ্ডলীটি ৫০,০০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছেছিল। এটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বানতেন, লাম্পুং, বেংকুলু, দক্ষিণ সুন্দা প্রণালী এবং সুমাত্রার পশ্চিমে ভারত মহাসাগরের কিছু অংশকে প্রভাবিত করেছে।
আরও পড়ুনঃ বাজেয়াপ্ত করা হল পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের স্মার্টফোন, বড় খবর
বাতিল কয়েকশো বিমান
ঘটনার ফলে রবিবার ২০৯টি ফ্লাইট চলাচল প্রভাবিত হয়, যাতে প্রায় ২২,৮০০ যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হন। ডোমেস্টিক ফ্লাইটগুলোর মধ্যে মাকাসার রুটও প্রভাবিত হয়েছিল। সিঙ্গাপুরগামী আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। হংকং, সিডনি, আমস্টারডাম, সিউল, দোহা এবং কুয়ালালামপুরগামী ফ্লাইটগুলোও বাতিল, দেরি বা পুনঃনির্ধারিত হয়।










