সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের চন্দ্রযানকে চ্যালেঞ্জ কাঙাল পাকিস্তানের! চিনের কাঁধে ভর করে পাকিস্তান (Pakistan) নাকি ২০২৯ সালে জিন্নাহ-১ নামের একটি মহাকাশযান চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে। দেশটির সংবাদপত্রিকা ডনে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই মহাকাশযানটি হবে চিনের চ্যাংই-৮ অভিযানের সঙ্গী। এমনকি সেটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালাবে।
চাঁদে মহাকাশযান পাঠাচ্ছে পাকিস্তান
এমনিতেই অর্থনৈতিকভাবে দেশটির অবস্থা শিরেসংক্রান্তি। জ্বালানি সংকটে দেশের পেট্রোল-ডিজেলের দাম আকাশছোঁয়া। এমনকি বিদ্যুতের অভাবে রাতে বাজার পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হচ্ছে পাকিস্তানকে। তবে তার মধ্যেই বড় উদ্যোগ। দেশটির মহাকাশ সংস্থা সুপারকো জানিয়েছে, দেশব্যাপী এক প্রতিযোগিতায় পাওয়া ৪ হাজারটি প্রস্তাবের মধ্য থেকে জিন্নাহ-১ নামটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছে মহাকাশযান হিসাবে। এমনকি এই নামটিকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়, এবং বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদানও করা হয়েছে।
তবে জানলে অবাক হবেন, এই অভিযানটিতে তারা চিনের সহযোগিতার মাধ্যমেই এগোচ্ছে। এর আওতায় পাকিস্তানকে রকেট এবং মূল ল্যান্ডার সরবরাহ করবে ড্রাগনের দেশ। তবে সবথেকে বড় ব্যাপার, ২০২৩ সালে ভারতের চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর যে অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল, সেখানেই এবার গবেষণা করবে জিন্নাহ-১। বিশেষ করে চন্দ্রপৃষ্ঠের ভূতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি ভবিষ্যতের জন্য চন্দ্র গবেষণা সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে বলেও খবর।
আরও পড়ুন: বাংলার ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’, ছাত্রীরা পাবে ২৫ হাজার টাকা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এদিকে পাকিস্তানের মহাকাশ সংস্থা সুপারকো এবং চিনের মহাকাশ সংস্থা সিএনএসএ-র মধ্যে ইতিমধ্যেই একটি শক্তিশালী কৌশলগত জোট রয়েছে। সেক্ষেত্রে চিন তাদের চ্যাংই-৮ অভিযানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য মোট ২০০ কিলোগ্রাম পেলোড বহনের জন্য স্থান বরাদ্দ করেছে। আর তার মধ্য থেকেই পাকিস্তানের মাত্র ৩৫ কিলোগ্রামের এই জিন্নাহ-১ মহাকাশ যানটিকে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর উদ্দেশ্যে পাঠানো হবে বলেই খবর সূত্রের। তবে বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, এই অভিযানের আওতায় হয়তো চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে গুরুত্বপূর্ণ দুর্গম কোনও ভূখণ্ড আবিষ্কারের সুযোগ মিলতে পারে।










