১৫ সেপ্টেম্বর ডেডলাইন, ১ টাকা দিলেই মিলবে ১৩ হাজার ৭৯৩! ফসল বীমা নিয়ে সুখবর

Published:

Crop Insurance

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: বন্যা কিংবা শিলাবৃষ্টির মতন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল নষ্ট হলে কৃষকদের আর বিমার জন্য কাগজের ফর্ম নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দফতরে ছোটাছুটি করতে হবে না। প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা (PMFBY) এবার ফোনের মাধ্যমেই সম্ভব। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ঘরে বসেই আবেদন করা যাবে। এখন স্মার্টফোনে ক্রপ ইন্সুরেন্স (Crop Insurance) অ্যাপ ব্যবহার করেই বীমার জন্য নাম নথিভুক্ত করা যাবে। এই সুযোগ পেতে কৃষকদের মাত্র দিতে হবে মাত্র ১টাকা। আবেদন করার শেষ তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর। অর্থাৎ এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে কিন্তু এই সুবিধা হাতছাড়া হতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে জমা দিতে হবে কোন কোন তথ্য?

আবেদন করতে প্রথমে মোবাইলের প্লে স্টোর থেকে সব ইন্সুরেন্স অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে। অ্যাপে ঢুকে লগইন (login) অপশন বেছে নিয়ে সেখানে মোবাইল নম্বর দিতে হবে। এরপর OTP দিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে নিজের নাম, আধার নম্বর, বয়স, লিঙ্গ, অভিভাবকের নাম-সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। জমি নিজের হলে ফার্মার টাইপ হিসেবে ওনার (owner) বেছে নিতে হবে। ঠিকানা, জেলা, ব্লক ও গ্রামের তথ্য ইত্যাদি দেওয়ার পাশাপাশি নমিনির বিবরণ এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টও এখানে যুক্ত করতে হবে। IFSC কোড ও অ্যাকাউন্ট নম্বর সঠিকভাবে দেওয়ার পর OTP দিয়ে আরো একবার যাচাই করে নিতে হবে।

এরপর অ্যাপের PMFBY ইন্সুরেন্স বিভাগে গিয়ে রাজ্য, মরশুম ও বছর নির্বাচন করতে হবে। জমিটি যে জেলা, ব্লক, গ্রাম পঞ্চায়েত ও মৌজায় রয়েছে, সেই তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি ফসলের ধরন, ফসলের নাম এবং রোপণের তারিখ এই সমস্ত কিছু উল্লেখ করতে হবে। খাতা নম্বর এবং প্লট নম্বরও দিতে হবে। এগুলি দেওয়ার সময় কোন রকম ভুল করলে চলবে না। একাধিক দাগ নম্বর থাকলে কমা দিয়ে সেগুলি লিখতে হবে। সব তথ্য জমা দেওয়ার পর জমির পরিমাণ এবং সম্ভাব্য বিমার অঙ্ক অ্যাপেই দেখাবে।

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা যোজনা না ঢুকলে করুন এই কাজ, সেপ্টেম্বরেই মিলবে টাকা!

আবেদনের শেষ ধাপে ব্যাংক পাসবুকের প্রথম পাতার একটি পরিষ্কার ছবি তুলে আপলোড করতে হবে। জমির পরচা ও সোয়িং সার্টিফিকেট থাকলে দেওয়া যেতে পারে, তবে এগুলি ঐচ্ছিক অর্থাৎ না দিলেও সমস্যা নেই। সব তথ্য যাচাই করে প্রসিড ফর পেমেন্ট (Proceed for Payment)-এ গিয়ে UPI QR-এর মাধ্যমে মাত্র ১ টাকা প্রিমিয়াম জমা দিতে হবে। পেমেন্ট সম্পূর্ণ হলে PDF আকারে রসিদ পাওয়া যাবে, সেটি ডাউনলোড করে রেখে দিতে হবে। এই প্রকল্পে মাত্র ১ টাকা প্রিমিয়াম দিয়ে সর্বোচ্চ ১৩,৭৯৩ টাকা পর্যন্ত সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই আগ্রহী কৃষকদের ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।