বছরে মিলবে ৬০ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড, দারুণ স্কলারশিপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

Published:

Scholarship

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: মেধা থাকা সত্ত্বেও অনেক পড়ুয়ার উচ্চশিক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় অর্থাভাব। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেক সময় ইচ্ছা থাকলেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে শিক্ষার্থীদের জন্য। এমন পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াতেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে চালু করা হয়েছিল এবং এখনো চালু রয়েছে ‘স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস স্কলারশিপ’ বা SVMCM। স্কুল থেকে শুরু করে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এমনকী গবেষণার স্তরেও যোগ্য পড়ুয়ারা এই স্কলারশিপের (Scholarship) সুবিধা পেতে পারেন।

স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপের খুঁটিনাটি

এই স্কলারশিপের জন্য আবেদনকারীর পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া এবং কোনও স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কোর্সে পড়াশোনা করা প্রয়োজন। এছাড়া সাধারণভাবে পরিবারের বার্ষিক আয় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে হতে হবে। পাশাপাশি, একাদশ-দ্বাদশে আবেদনের জন্য মাধ্যমিকে ৬০ শতাংশ এবং একইভাবে স্নাতক স্তরে আবেদনের ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিকে অন্তত ৬০ শতাংশ নম্বর প্রয়োজন। PG-র সাধারণ কোর্সে স্নাতকে ৫৩ শতাংশ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তি বা ফার্মাসির মতো কোর্সে ৫৫ শতাংশ নম্বর দরকার।

কোর্স অনুযায়ী স্কলারশিপের টাকার পরিমাণও আলাদা। একাদশ-দ্বাদশ এবং আর্টস ও কমার্সের স্নাতক পড়ুয়ারা মাসে ১,০০০ টাকা পাবেন। সায়েন্স ও কিছু পেশাদার কোর্সে ১,৫০০ টাকা, PG-তে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিক্যাল ডিগ্রিতে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়। নন-নেট MPhil গবেষকরা ৫,০০০ (বছরে ৬০,০০০) এবং নন-নেট PhD গবেষকরা সর্বোচ্চ ৮,০০০ টাকা মাসিক সহায়তা পেতে পারেন।

আরও পড়ুন: এবার পড়ুয়াদের জন্য রিল বানাবেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা, উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

আবেদন করতে হবে SVMCM-এর সরকারি পোর্টালে অনলাইনে। রেজিস্ট্রেশনের পর প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা করতে হবে। যাচাইয়ের পর DBT-এর মাধ্যমে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়ে থাকে। পরের বছর সুবিধা চালু রাখতে নির্দিষ্ট নম্বর পেয়ে Renewal করাও জরুরি।