সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মার্কিন ডলারের বিপরীতে ফের টাকার অবমূল্যায়ন। বুধবার সকালে লেনদেন শুরু হতেই ডলারের বিপরীতে রুপির (Indian Rupee) দাম ৬ পয়সা কমে ৯৫.৪২ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আসলে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম আবার ৯০ ডলারের কাছাকাছি ঠেকায় দিনের পর দিন তলানিতে ঠেকছে ভারতীয় টাকা। এমনকি বিশেষজ্ঞরা মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না। পাশাপাশি আগামী দিনগুলিতে তা ৯৭-র স্তরে পৌঁছতে পারে বলেও অনুমান করছেন বেশ কিছু বিশেষজ্ঞ।
ডলারের বিপরীতে ফের টাকার পতন
আসলে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সম্প্রতি যুদ্ধ মাথাচাড়া দিয়ে দাঁড়াতেই অপরিশোধিত তেলের দাম একেবারে ৮০ ডলারের নিচে থেকে প্রায় ৯০-র কাছাকাছি চলে গিয়েছে। যেহেতু ভারতকে অন্তত ৯০ শতাংশ তেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, সেই কারণে তেলের দাম বাড়লে ডলারের উপর বাড়তি চাপ পড়ে। যার ফলে দিনের পর দিন পতন হচ্ছে ভারতীয় টাকার দাম। এদিন আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে ৯৫.৩৬ টাকায় খোলার পর আগের দিনের বন্ধের বাজার থেকে আরও ৬ পয়সা কমে শেষমেষ টাকা এসে দাঁড়ায় ৯৫.৪২-তে।
এমনকি টাকার এই দরপতন নিয়ে এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ৯০ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় ৯৫.৫০ টাকা ডলারের বিপরীতে রুপির শক্তিশালী স্তর। এমনকি তেলের দাম আরও বাড়লে তা ৯৫ থেকে ৯৬ এর স্তরের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। পাশাপাশি বৈশ্বিক তেলের মানদন্ড ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার ট্রেড ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮৯.৮০ মার্কিন ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।
আরও পড়ুন: গ্রামের সরকারি স্কুলের উন্নয়নে দেশব্যাপী অভিযান, বড় ঘোষণা অভিজিৎ দীপকের
পাশাপাশি আরও একজন বিশেষজ্ঞ জানান, তেলের দাম ব্যারেল প্রতি সামান্য কমে ৮৯.৩৬ মার্কিন ডলারে দাঁড়ানোয় রুপির লেনদেন শুরু হয়। পাশাপাশি ডলার সূচক ৯৯.৮৩-তে অপরিবর্তিত ছিল। তবে লেনদেন শুরু হতেই ছয়টি মুদ্রার বিপরীতে ডলারের শক্তি পরিমাপকারী সূচক ০.০৫ শতাংশ বেড়ে ৯৯.৮৭-তে লেনদেন হচ্ছিল। এমনকি দেশের শেয়ারবাজারেও টাকার দরপতনে পড়ছে প্রভাব। এদিন বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই সেন্সেক্সের পাশাপাশি নিফটি যথাক্রমে ৩৫.৯৯ এবং ৩১.১৫ পয়েন্ট কমেছে।










