অনন্যা সরকার, কলকাতা: এই জগতে মায়ের চেয়ে বড় আশ্রয় আর কি বা হতে পারে! তা সে মানুষ হোক বা এই প্রাণীকুলের অন্য কোনো প্রজাতি। ভয় পেয়ে মুখ লুকানো থেকে শুরু করে আদর খাওয়া – শিশুরা সবসময় মায়ের কাছেই থাকতে চায়। মায়ের কোলেই তাঁদের শান্তি। কারণ মা-ই আমাদের সেখান কীভাবে বাঁচতে হয়, তাঁর দেখানো পথেই আমরা হাঁটি। কিন্তু যদি মায়ের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কোনও শিশু, তার বেঁচে থাকার লড়াই ও যন্ত্রনা হয়ে ওঠে তীব্র। তারই প্রতিচ্ছবি সম্প্রতি দেখা গেল একটি ভিডিওতে। সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া (Viral Video) এই ভিডিওটিতে একটি ছোট বাছুরের মাকে না পেয়ে গাড়ির গায়ের আটাকানো ছবির মধ্যেই মাকে পাওয়ার অদম্য চেষ্টার দৃশ্য আবেগপ্রবণ করে তুলেছে নেট নাগরিকদের।
ছোট্ট বাছুর ছবিকেই ভাবলো মা
সঞ্জু গোয়েল নামের এক এক্স ইউজার তাঁর হ্যান্ডেল থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি ছোট বাছুর বিজয়া ডেয়ারি (Vijaya Dairy) কোম্পানির গাড়ির পিছনের দরজায় জুড়ে থাকা গরুর ছবিটিকে আসল বলে ভুল করেছে এবং ব্যকুলভাবে তাঁকে ডাকার ও স্তন্যপান করার চেষ্টা করছে। ওই ক্ষুধার্ত বাছুরটি নেট নাগরিকদের চোখে জল এনে দিয়েছে। এই মন খারাপ করে দেওয়া দৃশ্যটি দেখে অনেকেই আবেগবিহ্বল হয়ে ভিডিওর মন্তব্য বাক্স ভরিয়ে দিয়েছেন।
बच्चा किसी का भी हो जब भटक जाता है तो सिर्फ़ और सिर्फ़ मां की तलाश रहती है
इसीलिए कहते हैं मां का स्थान कोई नहीं ले सकता pic.twitter.com/D2EPQEv31y
— SanjuGoyal01 (@SanjuGoyel) September 4, 2026
একজন এক্স ইউজার এই ভিডিও-এর কমেন্টে লিখেছেন ‘সত্যি, মায়ের স্থান কেউ নিতে পারে না’। আবার একজন বলেন, ‘কঠিন সময়ে সবার আগে মায়ের কথাই মনে পড়ে। মা শুধু একটি সম্পর্কই নয়, বরং সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়’। একজন বলেন, ‘বাছুরটি ভেবেছে, হয়তো সে-ই তার মা, তাই দুধ খেতে গেছে’। আরেক নেটিজেনেরও মত, ‘ যেই হোক না কেন, হারিয়ে গেলে সে প্রথমে তার মাকেই খোঁজে।’
আর পড়ুন: একা হাতেই আস্ত নদী সাফ করলেন ২০ বছরের যুবক! প্রশংসার সাথে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন
তবে কমেন্ট সেকশনে কিছু ইউজার এই ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, বলে দাবি করেন। ভিডিওটি দেখে মনে হচ্ছে, একটি গাড়ির মধ্যে থেকে ওই বাছুরটির কার্যকলাপ রেকর্ড করা হয়েছে। যদিও, এটি সত্যি নাকি এআই, তা নিয়ে কোন স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ফল হোক বা চরম বাস্তব – সন্তানের প্রতি মায়ের অবদান অস্বীকার করতে পারেননি কেউই।










