অনন্যা সরকার, কলকাতা: গত ১০ অক্টোবর দিল্লির জন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) দ্বারা আয়োজিত আন্দোলন কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তার গুরুগ্রামের বাসভবন থেকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। পরে সেইদিন রাতেই তাকে মুক্তি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এই ঘটনাটি তার রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং অনলাইন কার্যকলাপের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত সম্পদের বিষয়েও নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে। ৩.৩ কোটিরও বেশি সাবস্ক্রাইবারের সাথে চ্যানেল পরিচালনা করা ধ্রুব রাঠির ‘নেট ওয়ার্থ’ (Dhruv Rathee Net Worth) কত, আসুন জেনে নেওয়া যাক।
ধ্রুব রাঠির আয়ের উৎস ও আনুমানিক মোট সম্পদ
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুসারে, জার্মানিতে বসবাসকারী ধ্রুব রাঠির আনুমানিক মোট সম্পদ প্রায় ৫৮ কোটি টাকা। তবে, এই পরিসংখ্যানটি যাচাই করা কোনও আর্থিক নথির উপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়নি। তাই, এটিকে তার সম্পদের সঠিক মূল্যায়ন হিসাবে বিবেচনা করা যায় না। মূলত রাজনৈতিক, শিক্ষামূলক এবং সামাজিক বিষয় নিয়ে ভিডিও বানান ধ্রুব। সেইসাথে, তার ভ্লগ এবং ইউটিউব শর্টসও বিপুল সংখ্যক দর্শকদের আকৃষ্ট করেছে। তবে ইউটিউব অ্যাডসের আয় নির্ভর করে উপযুক্ত ভিউ, দর্শকের দেশ, দেখার সময় ও বিজ্ঞাপনের চাহিদার মতো বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। শুধুমাত্র সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা দিয়ে আয় নির্ধারণ করা যায় না।
রিপোর্টগুলি থেকে জানা যায় যে, অ্যাড ছাড়াও তার সম্ভাব্য আয়ের উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্র্যান্ড ডিল, স্পনসরশিপ, পার্টনারশিপ, অনলাইন কোর্স, মার্চেন্ডাইজ এবং ‘এআই ফিয়েস্তা’ (AI Fiesta) নামের একটি এআই-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম। তবে, এই উদ্যোগগুলো থেকে তার আয়, লাভ, খরচ, ট্যাক্স, বিনিয়োগ বা ব্যক্তিগত সম্পদে অবদানের বিষয়ে কোনও নির্ভরযোগ্য তথ্য উপলব্ধ নেই।
আরও পড়ুন: বজবজের যুবকের শরীরে মিলল জরায়ু ও ডিম্বনালি! অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে তাজ্জব ডাক্তাররা
ধ্রুব রাঠি তার স্ত্রী জুলি এলবিআর-রাঠির সাথে জার্মানিতে থাকেন এবং প্রায়শই তার ভ্লগে ভ্রমণ ও দৈনন্দিন জীবনের ঝলক ভাগ করে নেন। রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, তার গাড়ির সংগ্রহে একটি একটি রেঞ্জ রোভার, টেসলা মডেল ৩, একটি বিএমডব্লিউ ৫ সিরিজ এবং একটি মার্সিডিজ-বেঞ্জ জিএলসি-ক্লাস রয়েছে।
তবে, শুধুমাত্র তার যানবাহন বা জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করে তার মোট সম্পদের পরিমাণ, সঞ্চয় বা স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায় না। সম্পদের একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তালিকার অভাবে ৫৮ কোটি টাকার অঙ্কটিকে কেবলই একটি আনুমানিক হিসাব বলেই বিবেচনা করা উচিত।










