“বাড়ি থেকে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না” শ্রীরামপুরের সভার আগেই কালীঘাটে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মমতা

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতার হাত বদল হয়েছে। নির্বাচনী ফলাফলে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে নবান্নের সিংহাসনে বসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজ্য চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে, ক্ষমতা হারিয়ে বিপাকে পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তৃণমূল। নির্বাচনে ভরাডুবির পর এই প্রথমবারের মতো কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শহরের গণ্ডি পেরিয়ে হুগলির শ্রীরামপুরে আজ বিকেলে সভা করার কথা মমতার (Mamata Trinamool)। ঠিক তার আগেই কালীঘাটে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে সরাসরি নিশানা করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, “কাউকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না।”

পুলিশকে নিশানা মমতার

শনিবার বিকেল চারটে থেকে শ্রীরামপুরে সভা করার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই মর্মে, শেষ পর্বের প্রস্তুতি চলছে। এমতাবস্থায়, সভায় যোগ দেওয়ার ঠিক আগেই কালীঘাটের বাড়িতে দাঁড়িয়ে পুলিশ এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করলেন মমতা। শাসকদলকে নিশানায় রেখে মমতার অভিযোগ, বাড়ি থেকে নাকি বেরোতেই দেওয়া হচ্ছে না কাউকে। একপ্রকার নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে তাঁদের। প্রত্যেকটা গতিবিধিতে নাকি নজর রাখা হচ্ছে!

তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়, “টানা 15 দিন কোর্টে লড়াই করে মিটিংয়ের অনুমতি পেয়েছি। এদিকে আমাদের বাড়ি থেকে বেরোতেই দেওয়া হচ্ছে না। প্রায় নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। গুন্ডা দিয়ে রাস্তা জ্যাম করে রাখছে বিজেপির লুম্পেনরা।” মমতার দাবি, আফ্রিকান দেশগুলোতেও এমন হয় না। এদিন পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কোথাও পুলিশের কোনও চিহ্ন পাওয়া যাচ্ছে না। এসব ওদের সাপোর্টই হচ্ছে। নিজেদের উর্দি ছেড়ে আপনাদের বিজেপির ঝান্ডা ধরা উচিত।”

 

আরও পড়ুন: শ্রীরামপুরে মমতার সভায় যাওয়ার পথে আক্রান্ত কুণাল ঘোষ, গাড়ি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হল পাথর, ডিম

শনিবার, শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে উত্তরপাড়ায় আক্রান্ত হন কুণাল ঘোষ। তাঁর গাড়িতে ইট, পাথর লোহার রড দিয়ে হামলা চালানো হয়। এদিন তা নিয়েও মুখ খোলেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “আমাদের বিধায়ক কুণাল ঘোষের উপর হামলা করেছে। তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর সারা গায়ে কাঁচ ভর্তি। চুঁচুড়া, উত্তরপাড়া থেকে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এটা কিন্তু অশুভ সংকেত।”

google button