সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: উপনির্বাচনের প্রতিযোগিতা এখন তুঙ্গে। মমতার ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক এমনিতেই হাতছাড়া হয়েছে গতকাল। কমিশনের সিদ্ধান্তে আজ নতুন নাম এবং প্রতীক পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নামেই এবার নন্দীগ্রামে ভোটে লড়বেন সঞ্চিতা দে প্রধান। তবে মমতাপন্থী নেত্রী হঠাৎ কেন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে সাক্ষাৎকার করলেন? অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখেই আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি, এমনটাই খবর।
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সঞ্চিতা দে প্রধানের
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে উপনির্বাচন। মমতাপন্থী কালীঘাট তৃণমূল (বর্তমানে মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস) নন্দীগ্রামে প্রার্থী হিসেবে সঞ্চিতা দে প্রধানকে দাঁড় করিয়েছেন। অন্যদিকে রেজিনগর থেকে ভোটে লড়বেন রবিউল আলম চৌধুরী। ঋতব্রত তৃণমূলের তরফ থেকেও ঘোষণা করা হয়েছে প্রার্থী। তবে যে বিজেপির সঙ্গে সাপে-নেউলে সম্পর্ক মমতার, সেই শাসকদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সঞ্চিতা দে প্রধানের সাক্ষাৎ যে রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক জন্ম দিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
যদিও অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকার করেছেন বলেই খবর। পাশাপাশি দলের অন্দরমহল সূত্রে জানা গিয়েছে, যেহেতু নন্দীগ্রামের ঘরের ছেলে শুভেন্দু অধিকারী এবং তিনি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী, তাই নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে সঞ্চিতা দে প্রধান শুধুমাত্র আশীর্বাদ নিতেই গিয়েছিলেন। এমনকি দিন সঞ্চিতার সঙ্গে তাঁর স্বামীকেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকার করতে।
প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করলেন সঞ্চিতা
তবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ওই সাক্ষাৎকারই কাল হয়ে দাঁড়াল মমতার তৃণমূলের। আচমকা নিজের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করে নিলেন সঞ্চিতা দে প্রদান। ফলে আপাতত নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে মমতার আর কোনও প্রার্থী রইল না। উপনির্বাচনে শুধুমাত্র রেজিনগর থেকেই মমতার প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী লড়বেন। কিন্তু কী কারণে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করলেন সঞ্চিতা তা এখনও পর্যন্ত সামনে আসেনি। এমনকি মমতা বা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বদের তরফ থেকেও এ বিষয়ে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।










