ভারতে লঞ্চ হল বিশ্বের সবথেকে হালকা হেলমেট, জানুন দাম

Published:

Helmet

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার ভারতে লঞ্চ হল সর্বকালের সবথেকে হালকা হেলমেট (Helmet)। ভেগা অটো তাদের ফ্ল্যাগশিপ ব্র্যান্ড অ্যাক্সরের আওতায় মোটরসাইকেল স্টাইলের একটি নতুন কার্বন ফাইবার হেলমেট বাজারে এনেছে। অ্যাক্সর এমএক্স কার্বন নামে পরিচিত এই হেলমেটটি ইতিমধ্যেই তিনটি সার্টিফিকেশন প্রাপ্ত বিশ্বের সবথেকে হালকা হেলমেট হিসেবেই নাম কামিয়েছে বাজারে। এবার নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কত দাম হবে এই হেলমেটটির? আসলে এটির দাম মধ্যবিত্তদের বাজেটের মধ্যেই রাখা হয়েছে। তবে এর ফিচার জানাবো এই প্রতিবেদনে।

বিশ্বের সবথেকে হালকা হেলমেট

ইতিমধ্যেই এই হেলমেটটি তিনটি সার্টিফিকেশন পেয়েছে। সেগুলি হল আইএসআই, ডট এবং ইসিই 22.06। এর সবথেকে বড় আকর্ষণ হল, যেখানে বাজারে বিক্রি হওয়া অন্যান্য হেলমেটগুলির ওজন প্রায় 2 কেজি বা তার বেশি হয়ে থাকে, সেখানে এই হেলমেটটির ওজন মাত্র 1050 গ্রাম। এমনকি এটি চারটি সাইজে পাওয়া যায়। M, L, XL এবং 2XL। এমনকি আগের মডেলের তুলনায় এই আপডেটেড মডেলে ট্রাই কম্পোজিট উপাদান ব্যবহার করার ফলে উন্নত শেল প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে, যার কারণে এটিকে আরও হালকা বানানো সম্ভব হয়েছে।

বেশ কয়েকটি তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, এই হেলমেট 3K কার্বন ফাইবার দিয়ে তৈরি, এবং কোম্পানি এটিকে তৈরি করার জন্য অ্যারামিড ফাইবার এবং অ্যারোস্পেস গ্রেড ফাইবার গ্লাস ব্যবহার করেছে। এমনকি এর কম ওজন দীর্ঘ রাইড বা অফ রোডিং-র জন্য একেবারে দারুণ বিকল্প। এমনকি এই কোম্পানি তাদের উৎপাদনও প্রায় তিনগুণ বাড়িয়েছে। আর ফিচার ও উপাদানের কথা ভাবলে এটি কোম্পানির অন্যতম প্রিমিয়াম হেলমেট।

আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ার থেকেও পিছিয়ে ভারতের শেয়ার বাজার, ব্যাঙ্ক অফ আমেরিকার রিপোর্টে চাঞ্চল্য

এবার দাম নিয়ে যদি কথা বলি, তাহলে এই হেলমেটটি সাধারণ হেলমেটের থেকে কিছুটা ব্যয়বহুল হবে এটা তো স্বাভাবিক। সেক্ষেত্রে এই মডেলটির দাম রাখা হয়েছে মাত্র 20,060 টাকা। যেখানে অন্যান্য প্রিমিয়াম মডেলের হেলমেটের দাম প্রায় 27 থেকে 30 হাজার টাকার মধ্যে পড়ে। এমনকি এই মডেলে যে সমস্ত সার্টিফিকেশন রয়েছে, এগুলি অনেক দামি হেলমেটেও পাওয়া যায় না। এ প্রসঙ্গে কোম্পানির সিইও জানিয়েছেন, “এক্ষেত্রে প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ শুধুমাত্র একটি হালকা হেলমেট তৈরি করার জন্য ছিল না। চ্যালেঞ্জটি ছিল প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশনের মান পূরণ করা এবং উৎপাদন প্রক্রিয়াকে উন্নত করে ওজন কমানো।”