সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় এখনও বহু কর্মী বকেয়া ডিএ পাননি। অন্যদিকে ষষ্ঠ বেতন পে কমিশনে ৩৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন সকলে। যদিও এই পরিমাণ বৃদ্ধির দাবি জানানো হচ্ছে। এরই মাঝে এখন পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) নিয়ে বড় আপডেট প্রকাশ্যে এল। রাজ্য সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি এবার আরও কয়েকটি সংস্থার কর্মীদের বেতন কাঠামো ও চাকরির শর্ত খতিয়ে দেখবে সপ্তম বেতন কমিশন।
সপ্তম বেতন পে কমিশন নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি
গত ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে নবান্ন থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।অর্থাৎ, রাজ্য সরকারের অধীনস্থ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বোর্ডের নিয়মিত কর্মীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনার দায়িত্বও দেওয়া হল সপ্তম বেতন কমিশনকে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বেতন ও চাকরির শর্তে ভবিষ্যতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বেশ কিছু শর্ত রয়েছে
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সপ্তম বেতন কমিশন এবার যে সংস্থা ও কর্মীদের বেতন কাঠামো এবং চাকরির শর্ত খতিয়ে দেখবে, তার মধ্যে রয়েছে…
১. রাজ্য সরকার পোষিত সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অশিক্ষক কর্মীরা: বিজ্ঞপ্তির অ্যানেক্সার ‘A’-তে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নন-টিচিং কর্মীদের বেতন কাঠামো পর্যালোচনা করা হবে।
আরও পড়ুন: কর্মীদের ঋণ নিয়ে বড় ঘোষণা, গ্যারেন্টার হবে খোদ রাজ্য সরকার
২. পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (West Bengal Board of Secondary Education): এই পর্ষদের নিয়মিত কর্মীদের বেতন কাঠামো ও চাকরির শর্ত খতিয়ে দেখা হবে।
৩. পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (West Bengal Council of Higher Secondary Education): সংসদের নিয়মিত কর্মীদের বেতন ও চাকরির শর্তও কমিশনের পর্যালোচনার আওতায় আসছে।
৪. পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ (West Bengal Board of Madrasah Education): এই পর্ষদের নিয়মিত কর্মীদের বেতন কাঠামো ও চাকরির শর্তও পুনর্বিবেচনা করবে কমিশন।
নবান্নের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সপ্তম বেতন কমিশন যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে। তবে এই বিজ্ঞপ্তিতে এখনই কোনও বেতন বৃদ্ধি বা নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার ঘোষণা করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বেতন ও চাকরির শর্ত নিয়ে কমিশনের সুপারিশের দিকেই এখন নজর থাকবে।










