পেয়ারার লোভ দেখিয়ে ৯ বছরের শিশুকে যৌন হেনস্থা, অভিযুক্তকে ধরে গণধোলাই আরামবাগে

Published:

Arambagh

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের যৌন লালসার শিকার হলেন ৯ বছরের এক শিশু। পেয়ারা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ঘরে ডেকে রীতিমতো কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল আরামবাগের (Arambagh) এক যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার খবর জানাজানি হতেই ওই অভিযুক্তকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়। ইতিমধ্যেই পরিবারের দায়ের করা অভিযোগের (Arambagh Child Harassment) ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে যুবককে।

পেয়ারার প্রলোভন দেখিয়ে শ্লীলতাহানি

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি এক শিশুর যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠে এসেছে হুগলি জেলার অন্তর্গত আরামবাগ এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগ, ওই নাবালিকা শিশুটির মা কাজের সূত্রে বাইরে বেরোনো ঘরের মধ্যে একাই ছিলেন শিশুটি। আর সেই সুযোগ বুঝে অভিযুক্ত যুবক তাকে পেয়ারা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে ডেকে নেয়। এদিকে শিশুটি সেই লোভে ঘরে গেলে শিশুটিকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয় এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি মুখ বন্ধ রাখতে নাবালিকাকে প্রাণে মেরে ফেলার এবং পরিবারের ক্ষতি করার হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ।

গণধোলাই দেওয়া হয় অভিযুক্তকে

পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে যুবকের বাড়িতে থাকাকালীনই শিশুটি চিৎকার করে ওঠে তখন আশেপাশের স্থানীয়রা ছুটে গেলে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এদিকে শিশুর চিৎকারে ভয় পালিয়ে গিয়েছিল অভিযুক্ত। বহু খোঁজাখুঁজি করার পর হাতের নাগালে অভিযুক্তকে পাওয়া মাত্রই গণধোলাই দেওয়া হয় এবং পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলে। স্থানীয়দের দাবি অভিযুক্তকে চরম থেকে চরমতর শাস্তি যাতে দেওয়া হয়। এবং শিশুটি যেন সঠিক ন্যায় বিচার পায়। ইতিমধ্যেই ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এবং ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: জিয়াগঞ্জে রাতারাতি উধাও লেনিনের মূর্তি, অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে

প্রসঙ্গত, বুধবার, দত্তপুকুর থানার অন্তর্গত কদম্বগাছি ফাঁড়ি এলাকায় দূর সম্পর্কের এক দাদুর যৌন লালসার শিকার হয়েছিল ১০ বছরের এক ছাত্রী। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের স্ত্রীয়ের কাছে পড়াশোনা করতে যেতেন ওই শিশুটি, বুধবারও গিয়েছিল। কিন্তু ওইদিন পড়তে গেলে তাকে যৌন হেনস্তা করে দাদু। অভিযোগ ছাত্রীর প্যান্ট খুলে যৌনাঙ্গে হাত দেয় অভিযুক্ত। শেষে ঘটনা জানাজানি হতেই পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

google button