বাড়িতে তিনটের বেশি ঘর থাকলে মিলবে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার? দিতে হবে ৭ ধরনের তথ্য

Published:

Annapurna Bhandar Scheme Big update

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: যেমন কথা, তেমন কাজ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভারতীয় জনতা পার্টি যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সবটাই পূরণ করতে উদ্যোগী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নরেন্দ্র মোদির দলের তরফে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির মধ্যে অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি ছিল মহিলারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের (Annapurna Bhandar) আওতায় প্রত্যেক মাসে 3 হাজার টাকা করে পাবেন। সেই মতোই, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ থেকে শুরু হয়েছে ফর্ম বিলি করার কাজ। অনলাইন এবং অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই পাওয়া যাচ্ছে ফর্ম। অনলাইনে অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে এবং অফলাইনে স্থানীয় বিডিও অফিস, পৌরসভা থেকেও মিলবে এই ফর্ম। তবে সেই 13 পাতার ফর্মে কোন কোন তথ্য দিতে হবে জানেন তো?

13 পাতার ফর্মে দিতে হবে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মাসিক অর্থ পেতে হলে 13 পাতার ফর্মে সমস্ত তথ্য পূরণ করতে হবে আবেদনকারীদের। জানা যাচ্ছে, আবেদনকারীদের মোট 7 রকমের তথ্য দিতে হবে সরকারকে। যার মধ্যে প্রথমেই আবেদনকারীর পারিবারিক পরিচয়। দ্বিতীয়ত, আবেদনকারী কোনও খাদ্য ভর্তুকি পান কিনা, তৃতীয়তঃ আবেদনকারী কত উপার্জন করেন, চতুর্থত, আবেদনকারীর কী কী সম্পদ রয়েছে, পঞ্চমত আবেদনকারীর অন্যান্য পরিচয় পত্র বা নথি, ষষ্ঠত একজন আবেদনকারীর পরিবারে কতজন শিশু এবং তাদের বিবরণ। সবশেষে সপ্তম তথ্য হিসেবে দিতে হবে আবেদনকারী কোনও সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন কিনা।

বাড়িতে তিনটের বেশি ঘর থাকলে মিলবে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার?

সরকারের তরফে যে 7 ধরনের তথ্য আবেদনকারীদের দিতে বলা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে সম্পদের বিবরণও। এখানে আবেদনকারীকে প্রথমত বলতে হবে তাঁর বাড়ি পাকা কিনা। থাকলে তাঁর বাড়িতে কতগুলি রুম আছে। তিনটে বা তার বেশি রুম রয়েছে কিনা সেটা স্পষ্ট করে জানাতে হবে ফর্মে। এছাড়াও নিজের নামে আবেদনকারী কোনও জমি কিনেছেন কিনা বা জমি আছে কিনা তা জানাতে হবে। থাকলে সেই জমির রেজিস্ট্রেশন নথি বা মিউটেশন কপি এবং হালনাগাদের তারিখ সহজ জমা করতে হবে। সেই সাথে জমা করতে হবে জমির শেষ রেকর্ড কপিও।

অবশ্যই পড়ুন: শহরে চলছে সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিকের শ্যুটিং, দাদার স্ত্রীয়ের ভূমিকায় কে জানেন?

সরকারি সূত্র বলছে, আবেদনকারীকে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের নামে ঠিক কতটুকু করে জমি রয়েছে সেই হিসেবও দিতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীকে জানাতে হবে বাড়িতে প্রাইভেট কোনও চার চাকার গাড়ি আছে কিনা। থেকে থাকলে তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং মডেল লিখে দিতে হবে। পাশাপাশি জানাতে হবে তিনি কোনও বীমার সুবিধা পান কিনা। সুবিধা পেয়ে থাকলে সেই বীমার অঙ্ক সহ যাবতীয় বিবরণ জানাতে হবে। এছাড়াও ফর্মে থাকা সমস্ত তথ্যই পূরণ করতে হবে আবেদনকারীকে। এক্ষেত্রে অনেকেই আশঙ্কায় রয়েছেন, বাড়িতে তিনটের বেশি ঘর থাকা নিয়ে। কেউ কেউ বলছেন, বাড়িতে তিনটের বেশি ঘর থাকলে আবেদন মঞ্জুর হবে না! এ নিয়ে অবশ্য আলাদা করে সরকার কিছু জানায়নি।