বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বড়সড় দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল পাণ্ডবেশ্বর। জানা যাচ্ছে, পাণ্ডবেশ্বরের ECL-র কুমারডিহির কোলিয়ারির খনিগর্ভের 200 ফুট নিচে ডুলির মধ্যে আটকে পড়েছেন 14 জন ECL কর্মী (ECL Workers)। প্রাথমিকভাবেই সেই খবর পাওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় চাঞ্চল্য ছড়ায় কোলিয়ারি অঞ্চলে। যদিও ইতিমধ্যেই শ্রমিকদের খনির মধ্যে থেকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে উদ্ধারকারী দল। চলছে উদ্ধার কাজ।
কীভাবে আটকে পড়লেন শ্রমিকরা?
সোমবার সন্ধ্যা 6টার আগের ঘটনা। জানা গিয়েছে, ওই সময়ে ডুলিতে খনিগর্ভে নেমেছিলেন 8 জন শ্রমিক। অন্যদিকে কাজ শেষ করে উপরে উঠে আসছিলেন আরও 6 জন। ঠিক সেই সময় ডুলি ওঠানো-নামানোর ইঞ্জিন রুমের ড্রামে ফেঁসে যায় একটি তার। আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। লোহার তার খুব বাজেভাবে আটকে যাওয়ায় মাঝপথে অন্ধকারে আটকে পড়েন 14 জন ECL কর্মী।
সূত্রের খবর, অন্ধকারের মধ্যে মাঝপথে আটকে গিয়ে চিৎকার করতে থাকেন শ্রমিকরা। দীর্ঘ তিন ঘন্টা চিৎকার করার পর উপর থেকে কয়েকজন কর্মী চিৎকার করে তাঁদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন। এমনকি সেখানে অক্সিজেন সরবরাহও করা হয়। উদ্ধারকাজে দেরি হওয়ায় মানসিক চাপ বাড়ছিল খনির ভেতরে আটকে পড়া কর্মীদের। শারীরিকভাবেও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন কেউ কেউ। সেই সময় উপর থেকে কথা বলে তাঁদের আশ্বস্ত করছিলেন বাকি সহকর্মীরা।
আরও পড়ুন: চকচকে বেগুনের মধ্যেই রয়েছে পোকা, ঠকছেন না তো? কেনার আগে মেনে চলুন এই টিপসগুলি
জানা গিয়েছে, ঘন্টার পর ঘন্টা মাঝপথে অন্ধকারে আটকে থাকায় দড়ি দিয়ে খাবার থেকে শুরু করে, জলের বোতল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় রসদ পাঠানো হচ্ছিল বাকি 14 জনের কাছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শেষমেষ কর্মীদের খনির ভেতর থেকে উদ্ধার করে আনতে নামানো হয়েছে উদ্ধারকারী দল। বর্তমানে তাঁদের উপরে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। এদিকে খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে ছুটে যান পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। আটকে পড়া কর্মীদের শারীরিক অবস্থার কথা জিজ্ঞেস করতেও শোনা গেছে তাঁকে।










