KMC এলাকার এখনও বহু পেনশনার পাননি বকেয়া DA! এবার কী হবে?

Published:

KMC Dearness allowance

সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) প্রসঙ্গে বিস্ফোরক দাবি করলেন ডিএ মামলাকারি মলয় মুখোপাধ্যায়। এখনো বহু পেনশনভোগী আছেন যারা বকেয়া ডিএ পাননি। মূলত কেএমসি (KMC)  এলাকায় বসবাসকারীরা এই টাকা পাননি। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। এই নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা অবধি দিলেন তিনি। চলুন জেনে নেবেন তিনি কী কী জানিয়েছেন।

এখনো অনেকে বকেয়া ডিএ পাননি!

ভিডিও বার্তায় মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, ‘কেএমসি এলাকায় বসবাসকারি পেনশনার, ফ্যামিলি পেনশনারদের ডিএ ব্যাঙ্কগুলি থেকে লাগু হয়েছে বটে কিন্তু এখনো তা অনেকে পায়নি। গত ২৭ আগস্ট থেকে বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু হয়েছে সরকারের তরফে। স্টেট ব্যাঙ্ক বলেছিল যে আগস্ট মাসের শেষ থেকে বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু হবে এবং আশা করা হচ্ছে সেপ্টেম্বর মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে টাকা দেওয়া শেষ হবে। অনেকেই SBI থেকে টাকা পেয়েছেন তো আবার অনেকেই পাননি। যারা পাননি তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন, আমাদের কাছে জানতে চাইছেন। যারা পেনশন পাচ্ছেন অথচ ডিএ পাবেন না সেটা কিন্তু হবে না। আমরা নিশ্চিত ১০০% বলছি বাকিরা বকেয়া ডিএ-র টাকা পেয়ে যাবেন।’

আরও পড়ুনঃ দিনমজুর বাবা, চরম দারিদ্রের মধ্যেও NEET ক্র্যাক করে নজির গড়ল পাঁচ ভাইবোন

তিনি আরও জানান, ‘যারা ট্রেজারী থেকে পায় তাঁরা এপ্রিল থেকে টাকা পেতে শুরু করেছে। তাঁরা প্রায় সবাই পেয়ে গেছে। সেখান থেকে তেমন আর অভিযোগ পাইনা।’ তিনি একটি তালিকা চেয়েছেন, যেখানে লেখা থাকবে কেএমসি এলাকায় বসবাসকারি পেনশনারের নাম, তিনি কোন দফতরে কাজ করতেন এবং ব্যাঙ্কের নাম এবং পিপিও নম্বর উল্লেখ থাকবে। যাইহোক, এই নিয়ে অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছেন।

কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

বকেয়া ডিএ না পেয়ে অনেকেই অনেক কিছু বলেছেন। একজন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘ট্রেজারী থেকে যারা পেনশন পায় সরকারি কর্মচারী তারা এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত এরিয়ার ডিএ পায় নি। জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ অবধি পাওয়া গেছে।’ অপর একজন লিখেছেন, ‘Grant-in-aid কর্মচারী পেনশন ভোগীদের সংখ্যা অনেক বেশি।বকেয়া ডিএ রিলিফের আর্থিক পরিমানও অনেক বেশি। সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা করেই এই  দীর্ঘ সূত্রিতা।মালহোত্রা কমিটি আর্থিক পরিমান বিষয়ে এবং বকেয়া টাকার হিসাব ইত্যাদি দেখার জন্য গঠিত হয়েছে। Grant-in-aid কর্মচারী এবং পেনশনার গণ বকেয়া ডিএ /ডিআব পাবে কি পাবে না সে কথা বলার জন্য ইন্দুমালহোত্রা কমিটি কে? তা হ’লে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের কোন দাম নেই?  ইচ্ছাকৃত ভাবে দেরি করানো হচ্ছে এটা জলের মত পরিষ্কার। চোখের চিকিৎসার কারণে  আদেশ বার করার জন্য রাত্রি বেলা স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে সহজে আদেশ পাওয়া যায়,কিন্তু১১বছর মামলা লড়ে সুনির্দিষ্ট রায় পাবার পর আমাদের ঘোরানো হচ্ছে এ কেমন প্রশাসন!’