NEET-এ ৯৪০, একাধিক প্রবেশিকা পরীক্ষায় অসাধারণ সাফল্য ঘাটালের মেয়ে রাজন্যার

Published:

NEET UG Success Story of Rajanya Dinda

অনন্যা সরকার, পশ্চিম মেদিনীপুর: গত ১৬ জুলাই নিট পুনর্পরীক্ষার (NEET UG Re-Exam) ফলপ্রকাশ হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু পরীক্ষার্থীর অনুপ্রেরণামূলক কাহিনী সামনে আসছে। বাংলা থেকেও অনেক ছাত্রছাত্রী অসাধারণ রেজাল্টের সাথে নিট পাস করেছেন। তার মধ্যেই রয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের রাজন্যা দিন্দাও। তিনি সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় সারা ভারতের মধ্যে ৯৪০তম স্থান অধিকার করে (NEET UG Success Story of Rajanya Dinda) তাঁর নিজের গ্রাম সোনামুইয়ের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। 

নিটের পাশাপাশি একাধিক সর্বভারতীয় পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ফল রাজন্যার 

ঘাটাল মহকুমা দাসপুরের সোনামুইয়ে বাসিন্দা রাজন্যার বাবা রুপম দিন্দা এনআইটি (NIT) রাউরকেলার রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক। আর তাঁর মা রমা দিন্দার রয়েছে রসায়নে পিএইচডি (PHD) ডিগ্রি। পেশাগত কারণে বাবা-মায়ের সঙ্গে ওড়িশায় থাকতেন রাজন্যা। সেখানে থেকেই দশম শ্রেণি পাশ করেন, আইসিএসই (ICSE) পরীক্ষায় পান ৯৮.৮০% নম্বর। তারপর পরবর্তী ধাপের পড়াশোনার জন্য কলকাতার এক স্কুল ভর্তি হন।  সেখান থেকে সিবিএসসি (CBSE) বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ৯৫.২০% নম্বর পেয়ে পাস করেন রাজন্যা। 

আরও পড়ুন: ‘মানব সভ্যতার সূচনা ভারতেই!’ গুজরাটের প্রাচীনতম বন্দর দেখিয়ে দাবি ব্রিটিশ ঐতিহাসিকবিদের

তবে শুধু নিট নয়, ডব্লিউবিজেইই (WBJEE) পরীক্ষায় ৯২২তম স্থান, আইএটি (IAT) পরীক্ষায় ৩৫৬তম স্থান এবং জেইই মেইন (JEE Mains) পরীক্ষায় ১৮,৭০০তম স্থান অর্জন করে নিয়েছেন রাজন্যা। ফলে ইঞ্জিনিয়ারিং ও গবেষণার ক্ষেত্রেও এসেছে একাধিক সুযোগ। কিন্তু মানুষের সেবা এবং নিজের দাদু-ঠাকুমার স্বপ্ন পূরণ করার জন্য তিনি চিকিৎসক হবেন বলেই মনস্থির করে নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: “আন্দোলনের থেকে পড়াশোনায় নম্বর বাড়ে” বিক্ষোভের বিরোধিতা NEET-এ দ্বিতীয় স্থানাধিকারী

রাজন্যার জানান, এমবিবিএস (MBBS) পড়ার জন্য তাঁর প্রথম পছন্দের মধ্যেই রয়েছে এইমস ভুবনেশ্বর (AIIMS Bhubaneswar) বা এইমস রায়পুর (AIIMS Raipur)। রাজন্যার ঠাকুরদা অশ্বিনী কুমার দিন্দা পেশায় ছিলেন শিক্ষক। বর্তমানে দাদু ও ঠাকুমা নাতনির এই অসামান্য সাফল্যে আবেগাপ্লুত। তাঁরা জানান, জীবনের শেষ দিনগুলোতে নাতনির কাছ থেকেই সেবা পাওয়াই তাদের একান্ত ইচ্ছা। দায়িত্বশীল ও দক্ষ ডাক্তার হয়ে ওঠার পথে রাজন্যার এই সাফল্য অনুপ্রাণিত করেছে তার এলাকার ছেলেমেয়েদেরও।