অনন্যা সরকার, আলিপুরদুয়ার: নাবালিকা শ্যালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের (Rape Case) দায়ে গ্রেফতার জামাইবাবু। ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই নাবালিকা। এ বিষয়ে জানতে পেরে নির্যাতিতার বাবা প্রধাননগর থানায় অভিযুক্ত জামাই, সোনু মুন্ডার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এদিকে অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত। অবশেষে মোবাইল টাওয়ারের লোকেশন ট্র্যাক করে তাকে হাতের নাগালে পায় পুলিশ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাজুড়ে।
শ্বশুরবাড়িতে থাকাকালীন একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ
স্থানীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৪ অক্টোবর ওই নাবালিকা নির্যাতিতার বাবা প্রধাননগর থানায় তাঁর জামাই সোনু মুন্ডার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে এফআইআর (FIR) করেন। তিনি জানান, শ্বশুরবাড়ি এসে থাকাকালীন তাঁর নাবালিকা মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে জামাই।
এর ফলে মেয়েটি বর্তমানে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অভিযোগ দায়ের করার পরে পুলিশ তদন্তে নামে। তবে এতদিন পলাতক ছিলেন অভিযুক্ত। সোনু মুন্ডাকে খুঁজতে তৎপর হয়ে প্রধাননগর থানার পুলিশ। গা ঢাকা দেওয়া অভিযুক্তকে খুঁজে বের করতে টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করা হয়।
আরও পড়ুন:বারাসতে সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসায়ও দেরি
সেই সূত্র ধরেই এবার পুলিশের নাগালে এল ওই যুবক। তাঁকে আলিপুরদুয়ার থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার রাতে তাঁকে নিয়ে আসা হয় শিলিগুড়িতে। শনিবার ধৃতকে শিলিগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়। অভিযুক্তের তরফ থেকে এখনও কোনো বয়ান সামনে আসেনি।










