প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির খরচ সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি একটি অফিসিয়াল তালিকা প্রকাশ্যে এনেছে (Election commission of India)। আর তারপরেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক শোরগোল। তালিকায় বাংলার জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নাম থাকায় বিতর্কের (BJP Influencer controversy) আগুন যেন আরও ছড়িয়ে পড়েছে। এবার এই বিতর্কের রাশ টানতে সায়কের পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন রেডিও জকি তথা জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার RJ প্রিয়াঙ্কা (RJ Priyanka)।
মুখ খুললেন RJ প্রিয়াঙ্কা
নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য সামনে আসার পর থেকেই বাংলায় বিজেপির রাজনৈতিক প্রচারে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তালিকায় শুধু সায়ক শমীক নয়, নাম উঠে এসেছে RED FM-এর প্রাক্তন রেডিও জকি তথা জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার RJ প্রিয়াঙ্কার। তিনিও নাকি প্রচারের জন্য বিজেপির কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা পেয়েছেন। এবার সেই প্রসঙ্গে নিজেই মুখ খুললেন প্রিয়াঙ্কা। তিনি নিজের সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থেকে জানান যে, “১৫ লাখ, ১৫ লাখ বলে কমেন্ট সেকশনে ভরিয়ে দেওয়া লোকদের কাছে জানতে চাই আপনারা কি জানেন আমার কোন পোস্ট বা ভিডিওতে বিজেপিকে হাইলাইট করা হয়েছে? বা তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাজে কিছু মন্তব্য করা হয়েছে? কেউ জানে না শুধু শুধু ট্রোল করছেন!! যদি এমন কোনো পোস্ট বা ভিডিও পান তাহলে আমাকে শেয়ার করুন।”
কীসের জন্য বিজেপির থেকে পেয়েছিলেন টাকা?
RJ প্রিয়াঙ্কা তাঁর পোস্টে আরও জানান যে, “আমি কারোর কাছে কি ঘুষ নিয়েছি? না চুরি করেছি? কোন ভিডিও দেখে আপনাদের মনে হয়েছে যে রাজ্য বেচে দিয়েছি? আমি প্রথমত এমন কোনো উস্কানি মূলক ভিডিও বানাইনি যেখানে বলা হয়েছে বিজেপিকে ভোট দিন বা বিজেপি ভালো বা বিজেপিকে আমি সাপোর্ট করি। ইলেকশন কমিশনের তরফে যেই ফটোটা পোস্ট করা হয়েছে ওটা জুন মাসের। ওখানে বিকশিত ভারত প্রোগ্রামের জন্য আমাকে নিমন্ত্রণ করা হয়েছিল। তার সাথে এটার কোন সম্পর্ক নেই। এবার আসি কোন প্রমোশনটা বিজেপির হয়ে আমি করেছিলাম, বন্দে ভারত ট্রেনের একটা ভিডিও করেছিলাম, যেখানে ট্রেনের বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা নিয়ে বলা হয়েছিল। এটা খুব স্বাভাবিক প্রমোশন।”
আরও পড়ুন: অলি পাবের জন্যই বিজেপির থেকে পেয়েছেন ২.৫০ লাখ? এবার মুখ খুললেন সায়ক
ইনফ্লুয়েন্সার প্রিয়াঙ্কার কথায়, “আমি এমন ভিডিও বানিয়েছি যেটাতে কাউকে উস্কানি দেওয়া হয়নি কোনো পার্টির নামও নেওয়া হয়নি এমনকি কোন ধর্ম নিয়েও কিছু বলা হয়নি। আমিও আমার লিমিট জানি, তাই অতটুকুই করেছি যতটুকু করলে কারো ক্ষতি হবে না। আমি আজ অবধি কখনও গেমিং অ্যাপ প্রমোট করিনি সেটাতেও তো অনেক টাকা পাওয়া যায় করলে সেটাও করতে পারতাম। অভয়ার মা-কে নিয়েও বলেছিলাম কারণ ওটা খারাপ লেগেছিল, দালালি করলে ওনাকে নিয়ে নিশ্চয়ই কিছু বলতাম না, আমি নিট পেপার লিক, গ্যাস ক্রাইসিস, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও বলেছি। আসলে আপনারা না জেনেই শুধু শুধু ট্রোল করে গেছেন। যদিও টাকার সংখ্যাও ভুল দেওয়া।”










