শিলিগুড়িতে ঘুষ চেয়েই বিপাকে সরকারি আধিকারিক, প্রতিবাদ করতেই দৌড়! ভাইরাল ভিডিও

Published:

Siliguri

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পরিবর্তনের বাংলায় ফের ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠল এক সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে শিলিগুড়ির (Siliguri) রাধুরাই এলাকায় পরিবহণ দপ্তরের এক আধিকারিক ঘুষ চাইতেই সঙ্গে সঙ্গে পথ অবরোধ করলেন এক গাড়িচালক। এদিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থল থেকে গাড়ি নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে আধিকারিকরা (Siliguri Bribery Case) চলে যান বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ভিডিও।

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ সরকারি আধিকারিকের

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল, বুধবার রাতে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ার রাধুরাই এলাকায় এক গাড়িচালককে আটক করে ঘুষ চেয়েছিলেন পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিকরা। আর তাই নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় ঝামেলা, মতবিরোধ। কেন আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়া হবে এই নিয়ে প্রশ্ন তুলে গাড়িচালক তীব্র প্রতিবাদ করে। আর তাতেই চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয় এলাকায়। আর এই ঝামেলা অশান্তিতে জড়ো হয় আশেপাশের মানুষজন। প্রতিবাদের জেরে পথ অবরোধ করেন ওই গাড়িচালক। ব্যাহত হয় যান চলাচল। আর সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নেটদুনিয়ায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। যদিও সেই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি India Hood।

পরিস্থিতি বুঝে পালিয়ে যান আধিকারিক

ভাইরাল সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ঘুষ নেওয়ার কারণে ঝামেলা অশান্তি যখন চরম আকার নেয় তখন সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে আধিকারিকরা গাড়ি নিয়ে চলে যান অভিযুক্ত সরকারি আধিকারিকরা। ভিডিওতে গাড়ি চালককে বলতে দেখা গিয়েছে, তিনি দিল্লি থেকে মাল নিয়ে ফিরছিলেন আর ওই সরকারি আধিকারিক নাকি ২০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছেন। কিন্তু আদতে ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল তাই নিয়ে ধন্দ এখনও রয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সরকারি দপ্তরের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ওঠা এই ঘুষ চাওয়ার অভিযোগকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন: ১০ নভেম্বরের পর এরা রেশন কার্ডে আর পাবেন না ফ্রি সামগ্রী, জানিয়ে দিল খাদ্য দফতর

রাজ্যে বিজেপি সরকার আসতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘুষ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, “রাজ্যে কোনও অবস্থাতেই চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সরকার জিরো টলারেন্স’, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, এটি প্রশাসনের সকল স্তরের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। যদি কোনও কর্মকর্তাকে দুর্নীতি, হয়রানি বা অবৈধ সুবিধা গ্রহণে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রমাণিত হয় তাহলে তাঁকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে।” কিন্তু এই বার্তার পরেও এখনও রাজ্যে ঘুষ নেওয়ার নানা অভিযোগ উঠে আসছে সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে।

google button