আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: বালি ওভারলোডিং মামলায় (Sand Overloading Case) অভিষেক ব্যানার্জির (Abhisekh Banerjee) আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে (Sumit Roy) ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠাল মেদিনীপুর আদালত। পুলিশি হেফাজত শেষে সোমবার তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। অতিরিক্ত বালি নিয়ে গাড়ি চলাচলের অনুমতি পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা লেনদেনের অভিযোগে শালবনি থানায় এই মামলা দায়ের হয়েছিল।
ফোনের সিম নিয়ে জালিয়াতি?
অভিযোগের তদন্ত শুরু হতেই একগুচ্ছ চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই মামলার তদন্তে সুমিতের ফোন ও সিম কার্ড ঘিরেও বেশ কিছু তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের দাবি, নিজের সিমের পাশাপাশি অন্য ব্যক্তিদের নামে নেওয়া সিমও নাকি ব্যবহার করতেন তিনি। এমন কয়েকজন গ্রাহককে চিহ্নিত করে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।
ওই সিম ব্যবহার করে আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, এই মুহূর্তে সেই বিষয়টাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এছাড়া অভিযুক্ত সুমিত ওই ব্যক্তিদের অজান্তেই তাঁদের নামে সিম কার্ড তুলে সেটি নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছিলেন কি না সেটা নিয়ম জোর কদমে তদন্ত চলছে।
সরকারি আইনজীবী সৈয়দ নাজিম হাবিব আদালতে বলেন, “সুমিত রায়কে বালি ওভারলোডিং মামলায় পুলিশি হেফাজত শেষে আদালতে হাজির করানো হয়। আবার ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। অভিযুক্তের সিম কার্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আগামী দিনে বাকি গ্রাহকেরাও আসবেন।”
আরও পড়ুন: “আইন সকলের জন্য সমান” হুমায়ুনের গ্রেফতারি নিয়ে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
অনেক আগে থেকেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত এই সুমিত রায়। বালি মামলাই তাঁর বিরুদ্ধে একমাত্র মামলা নয়। শালবনিতে সরকারি জমি সংক্রান্ত দুর্নীতি ও প্রতারণার অভিযোগের মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে। ওই মামলায় CID তাঁকে গ্রেফতার করেছিল এবং পরে সেই নিয়ে চার্জশিটও জমা পড়ে। পাশাপাশি ডেবরা থানায় চাকরি দেওয়ার নামে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলাতেও তদন্ত চলছে।










