বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কলকাতার নিউ টাউন, সল্টলেকের মতো উন্নত এলাকার ধাঁচে এবার মেদিনীপুর (Midnapore) শহরেও মাটির নিচ থেকে শুরু হবে বিদ্যুতের লাইন পাতার কাজ। এমনটাই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government Of West Bengal)। সেই মর্মে, মেদিনীপুরের মাটির নিচ থেকে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে 170 কোটি 28 লাখ টাকা বরাদ্দ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিদ্যুৎ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন মেদিনীপুরের বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত।
দ্রুত শুরু হবে কাজ
অবশেষে গাদা গুচ্ছের খুঁটি এবং ইলেকট্রিক তারের জঞ্জাল থেকে মুক্তি পেতে চলেছেন মেদিনীপুরের বাসিন্দারা। প্রবল ঝড়বৃষ্টি বা দুর্ঘটনা জনিত কারণে যাতে বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে তার ছিড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু বা বড় ধরনের দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্যই এবার শহর কলকাতার মতোই মেদিনীপুরের মাটির তলদেশ দিয়ে পাতা হবে ইলেকট্রিক লাইন। যদিও মেদিনীপুর শহরে মাটির তলদেশ দিয়ে বিদ্যুতের লাইন পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে এনেছিলেন বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত।
জানা যাচ্ছে, মেদিনীপুর শহরের বিধায়কের কাছ থেকে আবেদন পাওয়ার পরই সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে 170 কোটি 28 লাখ টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও চান যত দ্রুত সম্ভব মাটির নিচ থেকে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাক মেদিনীপুরের বাড়ি বাড়ি। আর এই বিশেষ প্রকল্পের জন্য মুখ্যমন্ত্রী অর্থ মঞ্জুর করায় তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিধায়ক শঙ্করবাবু।
আরও পড়ুন: মাদ্রাসার জন্য ভাঙে ১০০ বছরের পুরনো মন্দির, ভারত প্রশ্ন করতেই মিথ্যাচার শুরু পাকিস্তানের
মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের পরই এই বিশেষ প্রকল্পটিকে মেদিনীপুরের উন্নয়নের জন্য ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বলে দাবি করেছেন বিধায়ক। একই সাথে তিনি জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই সরকারের ছাড়পত্র নিয়ে এই প্রকল্পে কাজ শুরু হবে। বিধায়কের দাবি, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শহর যেমন দূষণমুক্ত হবে সেই সাথে উন্নত হবে বিদ্যুৎ পরিষেবা। পাশাপাশি রাস্তা চওড়া হলে এলাকার সৌন্দর্যও অনেকটাই বাড়বে। সুবিধা পাবেন মেদিনীপুরের বাসিন্দারা।










