শিক্ষকদের বিশেষ ট্রেনিং, মুখস্ত করে পাশ করার দিন শেষ! নতুন কর্মসূচি চালু রাজ্যে

Published:

Education System

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার (Education System) মান ফেরাতে উদ্যোগী ডাবল ইঞ্জিন সরকার। এ রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা খুব শীঘ্রই জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে জুড়ছে এ কথা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। এবার সেই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য গোটা রাজ্যজুড়ে চালু হল পরখ নামে নতুন কর্মশালা। আজ বিদ্যাসাগর ভবনের অডিটরিয়ামে নিজেই এই কর্মশালার উদ্বোধন করেছেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী। কী কী বদল আসবে এবার শিক্ষা ব্যবস্থায়?

রাজ্যে বাস্তবায়িত হল পরখ কর্মশালা

জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের আগেই রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন করতে চাইছে রাজ্য সরকার। সেই কারণেই ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। এবার নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষকদের বিশেষ ট্রেনিং দিতে ৫ দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়েছে। বিশেষ করে এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল মূল্যায়ন পরীক্ষা করা। মুখস্ত নির্ভর পড়াশোনার বদলে এবার হাতে কলমে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার উপর জোর দিতে চাইছে রাজ্য সরকার। আর সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্যই চালু করা হয়েছে পরখ কর্মসূচি।

এবার থেকে পড়াশোনার পাশাপশি ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া হবে স্কিলড বেস শিক্ষা। এমনকি নতুন শিক্ষানীতির আওতায় প্রশ্নপত্র থেকে শুরু করে সিলেবাসে যে সমস্ত বদল আসবে তার ধারণা দেবে এই পরখ কর্মসূচি। তবে সেক্ষেত্রে মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের প্রশ্নপত্র বদলাবে কিনা সে বিষয়ে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, কোন কোন পরীক্ষার ক্ষেত্রে এটি লাগু হবে তা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে নির্দিষ্ট সময় বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু এই কর্মশালার আওতায় খেলাধুলা থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম সহ বেশ কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল বদল আসবে।

আরও পড়ুন: নিম্নচাপের চোখরাঙানিতে দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলায় লাল সতর্কতা, আগামীকালের আবহাওয়া

পাশাপশি দীপক বর্মন আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, “শিশুদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য তৈরি রিপোর্ট কার্ডে এবার কিছু বদল আনা হয়েছে। তবে রিপোর্ট কার্ডের সমস্ত প্যারামিটার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এই কর্মশালার মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষককে জানিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপশি শিক্ষকদের সমস্ত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য দেওয়া হবে বিশেষ ট্রেনিং। এছাড়া আগামী দিনগুলিতে যাতে অনলাইন ক্লাসের প্রসার আরও বাড়ে তার জন্য রাজ্যের প্রত্যেকটি স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হবে।”