দাবি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, ১০ অক্টোবর ‘যন্তরমন্তর ২.০’ কর্মসূচির ডাক সিজেপির

Published:

CJP Protest

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল মুম্বই-দিল্লি। পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল মুম্বইয়ের শিবাজী পার্কে আন্দোলন চালায় ককরোচ জনতা পার্টি (CJP Protest)। এর আগে যন্তরমন্তরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। সফল হয়েছিল সেই আন্দোলন। তবে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে আগামী ১০ অক্টোবর ফের দিল্লিতে যন্তরমন্তর ২.০ কর্মসূচির ডাক দিলেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে।

দিল্লিতে যন্তরমন্তর ২.০ কর্মসূচির ডাক সিজেপির

বাংলাসহ একাধিক রাজ্যে এসআইআর-র নামে বিজেপির হয়ে ভোট চুরি করেছে নির্বাচন কমিশন, এমনটাই দাবি কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলির। সেই সূত্রেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমেছে ককরোচরা। গতকাল প্রচণ্ড গরম এবং পুলিশের অনুমতি না মেলা সত্ত্বেও হাজার হাজার তরুণ-তরুণী মুম্বইয়ের বিক্ষোভে শামিল হন। এমনকি শিবাজী পার্কে জনতার উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে অভিজিৎ বলেন, “অবৈধভাবে ভোটারদের বাদ দেওয়ার মাধ্যমে বিজেপি রাজ্যগুলির ক্ষমতা দখল করেছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে থাকা সত্ত্বেও তারা জয় নিশ্চিত করতে পারেনি।”

এদিকে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইন দিয়েছিলেন অভিজিৎ দীপকে। তার মধ্যে তিনি পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর মুম্বইয়ে ‘জেল ভরো’ কর্মসূচির ডাক দেন তিনি। তবে আন্দোলন সত্ত্বেও তাঁদের দাবি না মানায় আজ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা লিখেছেন, “যদি জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করেন, তাহলে সারা ভারতের ককরোচরা দিল্লিতে মিছিল করতে আসবে এবং ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ জানাবে। যদি পুলিশ আমাদের থামানোর চেষ্টা করে, তাহলে তারা যেখানেই আমাদের থামাবে সেই জায়গাটাই আমাদের যন্তরমন্তর হয়ে যাবে।”

আরও পড়ুন: হাসপাতালে চিকিৎসক নিয়োগে কঠোর হল সরকার, চার দফার নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য দপ্তরের

এমনকি তিনি আরও লিখেছেন, “আমাদের এই আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ। আমরা মহাত্মা গান্ধীর দেখানো পথে চলব। সরকার এবং দিল্লি পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকারকে সম্মান করবে নাকি ২০ জুলাইয়ের সেই নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি করবে তা তাদের সিদ্ধান্ত। এই লড়াই আমাদের গণতন্ত্রকে বাঁচানোর। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান এমন প্রত্যেক নাগরিককেই এই আন্দোলনে যোগ দিতে হবে।”

google button