বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পুজোর আগেই বড় খবর! দীর্ঘ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ফের ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে ছুটতে পারে ট্রেন ( (India-Bangladesh Train Service)। শীঘ্রই শুরু হতে পারে রেল পরিষেবা। জানা যাচ্ছে, রেল পরিষেবা পুনরায় চালু করা নিয়ে দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের (Indian Railways) মধ্যে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই দু-দিনব্যাপী ওই বৈঠক শুরু হবে ঢাকায়। সেখানে কূটনৈতিক স্তরে দুই দেশ একমত হলে পুজোর আগেই অর্থাৎ অক্টোবর মাসেই ফের গড়াবে বন্ধন, মৈত্রী এবং মিতালী এক্সপ্রেসের চাকা।
শুরু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ রেল পরিষেবা?
রেল সূত্রে খবর, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে রেল পরিষেবা চালু করা নিয়ে কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে সেটা এক প্রকার চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। শোনা যাচ্ছে, মিতালী, বন্ধন এবং মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিষেবা পুনরায় চালু করা হলেও নতুন করে রাজশাহী এবং কলকাতার মধ্যে চলাচলের জন্য একটি নতুন এক্সপ্রেস ট্রেনের প্রস্তাব রাখতে পারে বাংলাদেশ। এখানেই শেষ নয়, কলকাতা এবং ঢাকার মধ্যে যাকায়াতকারী মৈত্রী এক্সপ্রেস যাতে পদ্মা সেতু হয়েই যায় সেটাও নিশ্চিত করতে চাইছে তারেক রহমানের সরকার।
বলাই বাহুল্য, এতদিন মৈত্রী এক্সপ্রেস যমুনা সেতু দিয়ে চলাচল করতো। তবে নতুন করে এই ট্রেনটি পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল করবে কিনা তা নিয়ে আপাতত দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হওয়ার অপেক্ষা। এদিকে ভারতীয় রেল সুত্রে যা খবর, বাংলাদেশের সাথে বৈঠকের পর পুরনো তিনটি ট্রেন পরিষেবা চালু হয়ে গেলেও কলকাতা এবং রাজশাহীর মধ্যে নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন চালু করতে বিদেশ মন্ত্রক এবং ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মতামত প্রয়োজন। সেই মতোই, দুই মন্ত্রকের প্রতিনিধিরাই মঙ্গলবারের বৈঠকে থাকবেন।
Maitree, Bandhan and Mitali Express restart talks begin tomorrow in Dhaka (IGRM).
If Bangladesh and India agree, the three cross-border trains could resume as early as next month, Prothom Alo reports. Dhaka will also float a Rajshahi–Kolkata service and a Padma Bridge Maitree…
— ABU MIRAJ RUDRO (@abu_miraj_rudro) September 7, 2026
আরও পড়ুন: এই একটা কারণে রিঙ্কু সিংকে অধিনায়ক করতে পারে KKR
শোনা যাচ্ছে, মূলত ভারত এবং বাংলাদেশ, দুই দেশের মানুষের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই পুরনো মিতালী, মৈত্রী এবং বন্ধন এক্সপ্রেসের যাত্রী পরিষেবা পুনরায় শুরু করা হতে পারে অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ বা দ্বিতীয় সপ্তাহে। একইভাবে নতুন ট্রেন কোন রুট দিয়ে চলবে, আদৌ সেই ট্রেন চালু করার কতটা প্রয়োজনীয়তা রয়েছে সবটাই আলোচনা হবে আগামীকালের বৈঠকে। সেখানে দুপক্ষ মত বিনিময় করলেও এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে দু দেশের সরকার।










