চিনের ষড়যন্ত্রে জল ঢেলে দিল ভারত! অরুণাচল নিয়ে বড় পদক্ষেপ

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: চিনের কঠিন চাল এবার ভেস্তে দিল ভারত (India On China Plan)! কমবেশি সকলেরই জানা, বারবার অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) বিভিন্ন এলাকার নাম বদলানোর চেষ্টা করেছে ড্রাগন। এবার সেই চেষ্টায় জল ঢেলে দিল নয়া দিল্লি! অমিত শাহের মন্ত্রক অর্থাৎ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে সার্ভে অফ ইন্ডিয়া অরুণাচল প্রদেশের 27টি কৌশলগত এবং ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে সরকারিভাবে নিজেদের মানচিত্রে সুনির্দিষ্ট নাম সহ চিহ্নিত করে দিয়েছে। এর ফলে, চিন ইচ্ছেমতো অরুণাচলের জায়গাগুলির নাম বসিয়ে মনগড়া কাহিনী জুড়তে পারবে না!

তালিকায় রয়েছে একাধিক স্পর্শকাতর অঞ্চল!

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে সার্ভে অফ ইন্ডিয়া সরকারিভাবে মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশের যে 27টি গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে নাম সহ চিহ্নিত করে দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু স্পর্শকাতর এলাকাও। যেমন, লংজু ও মাজা। 1959 সালে ভারত এবং চিনের মধ্যেকার যুদ্ধের প্রথম স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়েছিল এই লংজু থেকে। এর পাশাপাশি থ্যাংলা 1962 সালে ভারত-চিন যুদ্ধের সূচনা পর্বের অন্যতম রক্তক্ষয়ী স্থান।

এখানেই শেষ নয়, তালিকায় থাকা অরুণাচল প্রদেশের জসবন্ত গড় এলাকাটি 1962 সালের যুদ্ধে  বীর শহীদ জসবন্ত সিং রাওয়াতের স্মারক বা স্মৃতি বিজড়িত অঞ্চল। একইসঙ্গে শের-এ-থাপা মেমোরিয়াল আবার শহীদ ত্রিলোক সিং থাপার শেষ স্মৃতি চিহ্ন যুক্ত অঞ্চল। এমনই বিসা, জোলা, রিজা লা, পুকুর লা, থ্যাগ লা, সাম্ভো সরোবর, বড় কুনদুন, জয়রামপুর, তেরিতনগর, রামনগর, জসবন্ত গড়, সাগর, ছোট কুনদুন, ধান বাড়ি, প্রীতনগর, বুদ্ধমন্দির, পদ্মা, জ্যোতি নগর, বৈশাখী, শের-এ-থাপা স্মারক, ছোট রোপুক, বড় রোপুক, শিবাজী নগর,  সুনপুরা, কামলাং নগরও নানান কারণে সমানভাবে জনপ্রিয়।

 

অবশ্যই পড়ুন: ইসলামপুরে শুট আউট, দুষ্কৃতিদের গুলিতে প্রাণ গেল প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকের

প্রসঙ্গত, ভারতের অরুণাচল প্রদেশে বারবার নিজেদের কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করেছে ড্রাগন। অরুণাচল প্রদেশটিকে দক্ষিণ তিব্বতের অংশ হিসেবে দাবি করেছে তারা। 2017 সাল থেকে শুরু করে 2023 এবং তার পরবর্তী সময়েও অরুণাচলের বিভিন্ন এলাকাকে নিজেদের মনগড়া নামে সাজিয়েছিল তারা! এ প্রসঙ্গে অবশ্য ভারতের অবস্থান খুব কড়া। নয়া দিল্লি প্রত্যেকবারই ড্রাগনের দাবি প্রত্যাহার করে জানিয়েছে, অরুণাচল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং আজীবন থাকবে।