সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রাজনৈতিক জগতে আচমকা নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বরিষ্ঠ মন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ড সরকারের মন্ত্রী এবং গিরিডিহ-র বিধায়ক সুদিব্য কুমার সোনু (Sudivya Kumar) প্রয়াত হয়েছেন। জানা যাচ্ছে যে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর হঠাৎ তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। এরপরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। ঘটনাকে ঘিরে প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সর্বত্র।
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত মন্ত্রী
সূত্রের খবর, সুদিব্য কুমার সোনুর স্বাস্থ্যের হঠাৎ অবনতি ঘটলে তাঁকে চিকিৎসার জন্য গিরিডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবরে বলা হয়েছে, চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তিনি মারা যান। মন্ত্রীর এহেন আকস্মিক মৃত্যুতে গিরিডিহ সহ ঝাড়খণ্ড জুড়ে শোকের ছায়া নেমেছে। তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্রই সমর্থক ও দলীয় কর্মীরা তাঁর বাসভবনে আসতে শুরু করেন। সুদিব্য কুমার সোনু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতির একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন। গিরিডিহ বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁর শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রভাব ছিল বলে মনে করা হতো।
আরও পড়ুনঃ পুজোর নতুন জামা! বীরভূমের গ্রামে ‘২ টাকার হাট’ বসিয়ে দুঃস্থদের মুখে হাসি ফোটালেন শিক্ষক
সুদিব্য কুমারের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন যে, মধ্যরাতের দিকে তাঁর ব্যথা শুরু হয়। রাত প্রায় দেড়টার দিকে তাঁর পরিবার তাঁকে একটি গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পথে মন্ত্রী সুদিব্য কুমার বমি করেন। রাত প্রায় ২টার দিকে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী শ্বেতা শর্মা, মেয়ে এবং ছেলে আয়ুশও আসেন। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসা শুরু হয়, যেখানে ভোর ৪টের দিকে মন্ত্রী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালে মানুষের ভিড় জমে যায়।
শোক প্রকাশ করেছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা
এদিকে, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে মন্ত্রী সুদিব্য কুমার সোনুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে। জেএমএম লিখেছে, “জীবনের ক্ষণস্থায়ীত্ব… গতকাল যারা আমাদের সাথে ছিলেন, সেই কমরেডদের স্মৃতি আজও আমাদের সাথে রয়ে গেছে। জীবনের অনিশ্চয়তা আবারও আমাদের গভীর দুঃখ ও শোকের মধ্যে ফেলেছে। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার একনিষ্ঠ সহকর্মী এবং ঝাড়খণ্ড সরকারের মন্ত্রী সুদিব্য কুমারের অকাল মৃত্যুতে সমগ্র জেএমএম পরিবার স্তম্ভিত ও শোকাহত। তাঁর মৃত্যু দল, সরকার এবং ঝাড়খণ্ডের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর সংগ্রাম, সেবা এবং অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি। ঈশ্বর তাঁর আত্মার শান্তি দান করুন এবং এই কঠিন সময়ে শোকস্তব্ধ পরিবার ও সকল সহকর্মীকে শক্তি দিন।”










