হিন্দুদের অনুষ্ঠানে ‘মুসলিম’দের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, ঘোষণা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হিন্দুদের (Hindus) অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবেন না বিধর্মী অর্থাৎ মুসলিমরা (Muslim)। না, বাংলার দুর্গাপুজোয় এখনও পর্যন্ত এই নির্দেশিকা জারি না হলেও পাশের রাজ্য মহারাষ্ট্রের নবরাত্রির গরবা এবং ডান্ডিয়া অনুষ্ঠানে ইসলাম ধর্মালম্বীদের প্রবেশে কার্যত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। একেবারে ফতোয়া জারি করে বলা হয়েছে, হিন্দুদের পবিত্র অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারবে না মুসলিমরা। এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মহারাষ্ট্র শাখার তরফে (VHP On Muslim)।

হিন্দুদের অনুষ্ঠানে প্রবেশাধিকার নেই মুসলিমদের!

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মহারাষ্ট্র শাখা একেবারে নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, নবরাত্রিতে অনুষ্ঠিত গরবা এবং ডান্ডিয়া একান্ত হিন্দুদের নিজস্ব রীতি বা অনুষ্ঠান। এখানে অন্য ধর্মের মানুষজন প্রবেশ করলে অনুষ্ঠানের পবিত্রতা নষ্ট হতে পারে। ঠিক সে কারণেই হিন্দুদের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে মুসলিম সম্প্রদায় সহ অন্যান্য বিধর্মীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মহারাষ্ট্র শাখার যুগ্ম সম্পাদক এবং মুখপাত্র শ্রীরাজ নায়ার খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, “হিন্দুদের পবিত্র অনুষ্ঠান গরবা এবং ডান্ডিয়াতে মুসলিমদের কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।” আসলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ মনে করে, মহারাষ্ট্রে নবরাত্রিতে যে ডান্ডিয়া এবং গরবা অনুষ্ঠান হয়ে থাকে তা শুধুমাত্র নাচ-গানের অনুষ্ঠান নয়। বরং এটি হিন্দুদের সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। অ-হিন্দুরা এই অনুষ্ঠানে প্রবেশ করলে সেই অনুষ্ঠানের পবিত্রতা এবং গাম্ভীর্য নষ্ট হবে। আর সেটা কিছুতেই হতে দিতে চাইছে না VHP।

 

আরও পড়ুন: BCCI-র এই এক সিদ্ধান্তে শীঘ্রই মন ভাঙতে পারে বৈভব সূর্যবংশীর

প্রসঙ্গত, হিন্দুদের অনুষ্ঠানে অহিন্দু বা মুসলিমদের প্রবেশ আটকাতে ডান্ডিয়া এবং গরবা অনুষ্ঠানের প্রবেশপথে নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগের প্রস্তাব রেখেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। তাঁরাই অংশগ্রহণকারীদের আধার কার্ড দেখে যাচাই করবে তাঁরা হিন্দু না মুসলিম। হিন্দু হলে তবেই অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, শোনা যাচ্ছে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে কপালে তিলক লাগানো বাধ্যতামূলক করা হতে পারে।