প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দীপাবলি (Diwali 2026) উপলক্ষ্যে সকলেই আনন্দে মেতে উঠেছে। সকলের ঘরবাড়ি সেজে ওঠে আলোয় আলোয়। কোথাও প্রদীপ, কোথাও টুনি বাল্ব। বাড়ির পাশাপাশি ঘরের ভিতরে অর্থাৎ বসার ঘরের পর্দার চারপাশে, ড্রয়িং রুমে সব জায়গায় টুনি লাইট (Diwali Electric Safety) লাগাচ্ছে। তবে একটু অসাবধান হলেই খেতে হচ্ছে ইলেকট্রিক শক। তবে এই সময় না ঘাবড়িয়ে বরং ঠান্ডা মাথায় সঠিক কয়েকটি উপায় মানলেই অনেক বড় বিপদ এড়ানো যায়। চলুন সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
শর্ট সার্কিটের সমস্যা
বাড়ির বাইরে কিংবা বারান্দায় লাগানো হয় রংবেরঙের আলো। বিভিন্ন ধরনের লাইট দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয় গোটা বাড়ি। কিন্তু লাইট লাগানোর সময় করা সামান্য কিছু ভুলে বড়সড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে উঠতে পারে। নিম্নমানের লাইট থেকে শর্ট সার্কিট, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া এবং আগুন লাগার মতো বিপদ ঘটতে পারে। তাই এই সময় প্রাথমিক চিকিৎসাস্বরূপ কী কী করা যায় চলুন জেনে নেওয়া যাক।
কী কী করণীয়?
- কেউ ইলেকট্রিক শক খেলে সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে দিতে হবে। ভুলেও কারেন্ট বন্ধ না করে তাঁকে ছোঁবেন না। এতে আপনিও কারেন্ট খাবেন। এরপর আক্রান্তের চোখে-মুখে জল দিয়ে বিশ্রাম নিতে বলুন। আর যদি তিনি গুরুতর অসুস্থ থাকেন, তাহলে সোজা হাসপাতালের আপৎকালীন বিভাগে ভর্তি করান।
- যদি কারেন্ট বন্ধ করা সম্ভব না হয়, তখন শুকনো কাঠ, বাঁশ, প্লাস্টিক, রাবার অথবা শুকনো খবরের কাগজের মতো বস্তু দিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরিয়ে দিন। তবে সেই কাজটিও করতে হবে সাবধানে, নইলে বাড়বে বিপদ।
আরও পড়ুন: বাজি পোড়াতে গিয়ে ফোস্কা পড়েছে হাতে পায়ে? দ্রুত করে ফেলুন এই কাজগুলি
- কারেন্টের শক খাওয়ার পর অনেকেরই গা-হাত-পা ঝিমঝিম করে। এর জন্য আগে বিশ্রাম নিতে হবে পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান করতে হবে। তাহলেই অনেকটাই ঝিমুনি ক্লান্তি ভাব দূর হবে। তবে অনেক সময় বিশ্রাম নেওয়ার পরও শারীরিক অস্বস্তি থেকে যায়, তখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
- কারেন্টের শক থেকে অনেকের দেহের কিছুটা অংশ পুড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে আগে পরিষ্কার জল দিয়ে জায়গাটা ৩-৪ বার ধুয়ে নিতে হবে। যখন জ্বালাভাবটা কমবে তারপর সেখানে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল কোনও মলম লাগিয়ে দিতে হবে। দেখবেন পোড়া ভাব কমে যাবে।










