আটকে কর্মীদের বেতন থেকে বাড়ি ভাড়া, পুজোর আগে টাকা না পেয়ে ফের হাইকোর্টে মমতা তৃণমূল

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ফের বিপাকে মমতা তৃণমূল (Mamata Trinamool)। পুজোর আগে কর্মচারীদের বেতন দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দলকে। মমতা তৃণমূলের অভিযোগ, পুজোর আগে কর্মচারীদের বেতন থেকে শুরু করে, বাড়ি ভাড়া সহ আনুষাঙ্গিক খরচ মেটাতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। এদিকে টাকা আটকে রেখেছে আদালতের হাত ধরে নিযুক্ত স্পেশাল অফিসার সুব্রত তালুকদারের কমিটি। ওই কমিটি কোনও টাকা দিচ্ছে না বলে দাবি জানিয়ে আবারও কলকাতা হাইকোর্টের দরজায় কড়া নাড়ল মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস।

দ্রুত শুনানির আর্জি মমতাদের

জানা যাচ্ছে, পুজোর আগে খরচ মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ না পেয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে দ্রুত সমস্যার সমাধানের আবেদন জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। বলা হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব দলের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। একই সাথে দ্রুত শুনানির আর্জিও জানিয়েছে কালীঘাট। যদিও সেই আবেদন মানেননি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারক জানিয়েছেন, ফের পুজোর পর খুলবে আদালত। তারপরেই হবে শুনানি।

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এমন সিদ্ধান্তে কার্যত চাপে পড়ে গিয়েছে মমতা তৃণমূল। পুজোর আগে কর্মচারীদের বেতন থেকে শুরু করে অন্যান্য খরচ মেটাতে একপ্রকার নাকের জলে চোখের জলে হয়ে যাচ্ছে মমতা শিবির। এদিকে আদালতে তৃণমূল আবার জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় অর্থ চাওয়া হলে স্পেশাল অফিসার বেশ কিছু প্রশ্ন সামনে রেখেছেন।

আরও পড়ুন: “সব ভারতীয় বোলারকে ঘৃণা করি, মারতে চাই” ফাইনালের আগেই বলেছিলেন পাক ‘তারকা’ হাসান

কলকাতা হাইকোর্টে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, আদালতের নিযুক্ত স্পেশাল অফিসার জানতে চেয়েছেন শুধুমাত্র উপনির্বাচনের জন্য তৃণমূলের নাম এবং প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে কিনা। তবে যদি এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য হয়ে থাকে সেটাও তাঁকে জানাতে বলা হয়েছে। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছিল, নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের নাম এবং প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিয়েছিল। ফলে কমিশনের ওই অন্তর্বর্তী নির্দেশের পর তহবিল নিয়ে এই মুহূর্তে আদালত আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরছে না। 29 জানুয়ারি পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা খরচের অধিকার থাকছে মমতাদের হাতেই।

google button