প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, সাসপেন্ড উচ্চশিক্ষা দফতরের কর্মী পারমিতা সেন

Published:

Paromita Sen Suspended

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যজনক পোস্ট করার অভিযোগে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সহায়ক পদে কর্মরত এক কর্মীকে সাসপেন্ড করল রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর। জানা গিয়েছে ওই কর্মী একজন তৃণমূল নেত্রী, নাম পারমিতা সেন (Paromita Sen Suspended)। একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে চরম শাস্তি দিল রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর (Education Department)। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই চরম সরল শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর পোস্ট

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, পারমিতা সেন নামে এক তৃণমূল নেত্রী বিকাশ ভবনের সহায়ক পদে কর্মরত। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশ সফর নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য বা পোস্ট করেছিলেন। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছিল। এরপরই বিষয়টি নজরে আসে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর। এরপরই জলসম্পদ ভবনে সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করেন তিনি। এবং সেখান থেকেই স্পষ্ট বার্তা দেন, সরকারি কর্মী হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী বা দেশের সাংবিধানিক পদে থাকা কোনও ব্যক্তিকে নিয়ে আপত্তিকর বা অবমাননাকর কোনও মন্তব্য বরদাস্ত করা হবে না।

সাসপেন্ড করা হল ওই অভিযুক্ত কর্মীকে

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন এও স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে সরকারি দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মশৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ক্ষেত্রে কড়া অবস্থান নেওয়া হবে ভবিষ্যতে, আর সেই নিয়ম মানতে বাধ্য সরকারি কর্মীরা। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশেই সাসপেন্ড করা হয় উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সহায়ক পদে কর্মরত পারমিতা সেনকে। জানা গিয়েছে, পারমিতা সেন আগে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সভানেত্রী ছিলেন। এছাড়া তৃণমূল সমর্থিত সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দায়িত্বও ছিলেন। যদিও তৃণমূলের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোয় কলকাতার আকাশে দেখানো হবে অভিনব ড্রোন শো, থাকবে একাধিক চমক

অন্যদিকে গতকাল, হোলি মিশন স্কুলের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধেও পড়ুয়ার ধর্মীয় পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে কপালে পরা তিলক মুছে দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ওই শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে খবর। ওই স্কুলের প্রিন্সিপাল সুতপা চৌধুরী বলেছেন, “ইতিমধ্যেই ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্কুলের যে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি রয়েছে সেই কমিটিই পুরো বিষয় খতিয়ে দেখছে।”