বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে পালাবদলের পর বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোটা (Durga Puja 2026)ঠিক কেমন ভাবে কাটে সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা বঙ্গ সমাজ। তিথী অনুযায়ী, এবছর পুজো পড়েছে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে, আর ঠিক তার আগেই উঠে আসছে বড় খবর। শোনা যাচ্ছে, পুজোয় আমিষ খাবার বিক্রিতে (Non Veg Ban) জারি হতে পারে নিষেধাজ্ঞা! না, গোটা বাংলা জুড়ে নয় বরং পুজো মন্ডপের আশেপাশে কোনও মাংসের পদ বা আমিষ খাবার যাতে বিক্রি করা না হয়, সেই উদ্দেশ্যে পুজোর উদ্যোক্তাদের বড় বার্তা দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।
পুজোয় নিষিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে আমিষ খাবার?
রাজ্যে পালাবদলের পর ভারতীয় জনতা পার্টির সরকারের আমলে এই প্রথমবারের মতো হতে চলেছে দুর্গোৎসব। আর সেই পুজো ঘিরেই নতুন পরিকল্পনা করছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা। তাঁদের একটা বড় অংশের দাবি, বাংলায় সার্বিকভাবে পুজোর সময়টায় আমিষ বন্ধ করার পরিকল্পনা না থাকলেও অন্তত পুজো মন্ডপের আশেপাশে আমিষ খাবার যাতে বিক্রি না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে পুজো উদ্যোক্তাদের!
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতাদের স্পষ্ট বার্তা, পুজো মন্ডপের আশেপাশে কোনও রকম আমিষ খাবার বিক্রি করা যাবে না। মাতৃ প্রতিভার মণ্ডপে যাতে আমিষের ছোঁয়া না আসে সেজন্যই এমন পরিকল্পনা। এক সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য নির্গুণানন্দ জানিয়েছেন, “আমরা একেবারেই বলছি না যে পুজোর সময় আমিষ খাওয়া বন্ধ করতে হবে। তবে অন্তত পুজোমন্ডপ বা মাতৃ প্রতিমার আশেপাশে এই ধরনের খাবার বিক্রি করা যাবে না। মায়ের প্রতিমার পবিত্রতা রক্ষা করতেই হবে।”
The guidelines issued by VHP & State Gov for Bengal’s Durga Puja 2026
No theme pujas to be entertained
No photography in Kumartuli
No non-veg food stalls to be permitted around pandal
Hope you embrace the #Paribartan
Puja won’t be same anymore!
ধর্ম যার যার উৎসব সবার আর নয় pic.twitter.com/YqRVwaNdgG— SS #Andolanjeevi #SaabYaadRakhaJayega (@sumonseng) August 28, 2026
আরও পড়ুন: ট্রেনে করতেন ডেলি প্যাসেঞ্জারি, টিম ইন্ডিয়ায় সুযোগ পেলেন দুর্গাপুরের ছেলে অভিপ্রায়
ওই নেতার কথায়, “আমিষ খাবার যদি বিক্রি করতেই হয় তাহলে সেটা করতে হবে পুজো মন্ডপ থেকে দূরে বাইরের কোনও নির্দিষ্ট স্থানে। যাতে আমিষ খাবারের অবশিষ্টাংশ মন্ডপের আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে না থাকে। মাতৃ প্রতিমার পবিত্রতা রক্ষা করা এবং পুজো মন্ডপ চত্ত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য।” শুধু তাই নয়, পুজো কমিটিগুলিকে একেবারে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে মাতৃ প্রতিমার পবিত্রতা রক্ষা করতে যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে সংগঠন হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হবে। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত বঙ্গে পুজোয় আমিষ খাবার বিক্রি নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশিকা আসে কিনা।










