মিলবে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ? গ্রান্ট ইন কর্মীদের নিয়েও প্রকাশ্যে এল বড় বার্তা

Published:

Dearness allowance

সহেলি মিত্র, ককলকাতা: কেএমসি এলাকা তো হল, গ্রান্ট ইন এইড কর্মচারীরা (Grant-in-aid) কি বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) পাবেন? কবে পাবেন? এখন এই প্রশ্ন সকলের। যদিও বা সরকারের সঙ্গে কর্মচারী সংগঠনগুলির দফায় দফায় আলোচনা চলছে বলে আশ্বাস দিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কবে ডিএ-র টাকা রিলিজ করতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

কবে বকেয়া পাবেন গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মচারীরা?

ভাস্কর ঘোষের বক্তব্য অনুযায়ী, গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মচারীদের সমস্ত বকেয়া পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে জানিয়েছেন যে ‘নিশ্চিন্ত থাকুন, গ্রান্ট ইন কর্মীদের টাকা আমরা মিটিয়ে দেব। শুধু একটু সময় দিতে হবে।’ বিভিন্ন কর্মচারীদের সমস্যার সমাধান হচ্ছে। অস্থায়ী কর্মচারীদের বিষয়গুলো সমাধান করা হচ্ছে। ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘আমাদের বকেয়া টাকা মেটানোর কোনও অভিপ্সা এই সরকারের নেই বলেই আশা করছি। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাওয়ার জন্য নতুন করে কোনও লড়াই করতে হবে না বলে জানানো হয়েছে।’ ভাস্কর ঘোষ জানান, কর্মচারী সংগঠনগুলি পরিবর্তনের পিছনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং অতীতে অনশনসহ বিভিন্ন আন্দোলন করেছে। সবটাই হকের টাকা আদায়ের দাবিতে।

আরও পড়ুনঃ বাংলার স্কুলে স্কুলে ‘হর ঘর বিমা’র পাঠ পড়াবে LIC, নির্দেশিকা শিক্ষা দফতরের

ভাস্কর ঘোষের মতে, ‘মুখ্যমন্ত্রী খুব ভালভাবেই জানেন যে ক্ষমতা পরিবর্তনে সরকারি কর্মচারী মহল, শিক্ষক-শিক্ষিকা মহল বিশেষ করে সংগ্রামী জোটের ভূমিকা কী। উনি কিন্তু সেই গুরুত্ব দিয়েছেন। আগের সরকারের সঙ্গে এই সরকারের অনেকটাই তফাৎ হয়েছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে অনেক রাজনৈতিক দল ডিএ আন্দোলনের আড়ালে নিজেদের ফায়দা লুটতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু রাজনৈতিক দল আছে যারা বিভিন্ন সময় আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলিকে প্রভাবিত করেছে। তাদের কিন্তু এতে প্রচুর লাভ হয়েছে।’

টেট নিয়েও জট কাটবে?

তিনি জানান যে কলকাতা কর্পোরেশনের পেনশনভোগী ও বেতনভোগীদের বকেয়া সংক্রান্ত বিষয় এবং ডিএ গণনায় ভুলের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আইনি লড়াই এবং সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীদের ভূমিকার কথা বলা হয়েছে। এই সরকারি কর্মীর মতে, শিক্ষাক্ষেত্রে, বিশেষ করে প্রাথমিক ও হাইস্কুলে শিক্ষক নিয়োগে টেট (TET) পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এর ফলে আশা করা যাচ্ছে, আগামী দিনে ডিএ নিয়ে জট কাটলেও কাটতে পারে।