পুজোর আগে হাইওয়েতে টোটো রুখতে অভিযান পুলিশের, আটক একাধিক ই-রিক্সা

Published:

Toto Ban On Highway

অনন্যা সরকার, জলপাইগুড়ি: এতদিন টোটোর (Toto) দৌরাত্মে জেরবার ছিল পথচারী থেকে গাড়িচালকরা। রাজ্য ও জাতীয় সড়কের দাপিয়ে বেড়াত টোটো। এর ফলে নিত্যদিনের যানজটের সমস্যার সঙ্গে পথ দুর্ঘটনাও বাড়ছিল। তাই আগস্ট মাসেই রাজ্য পরিবহন দপ্তরের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটো বা ই-রিকশার (E-Rickshaw) চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এরপর থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা গুলিতে টোটো রুখতে তৎপর হয়েছে পুলিশ প্রশাসন। সোমবার সকালে জলপাইগুড়িতেও দেখা গেল কড়া  নজরদারির দৃশ্য। গোশালা মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কিছু টোটোকে এদিন আটক করাও হয়েছে। 

জাতীয় সড়কে টোটোর বাড়বাড়ন্ত রুখতে তৎপর পুলিশ

কদিন পরেই দুর্গাপুজো, তাই জলপাইগুড়ি হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশকে ইতিমধ্যেই যান নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে। সোমবার সকাল থেকেই টোটো (ইলেকট্রিক রিকশা) চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় নামে এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি আটকও করা হয়। জাতীয় সড়কে টোটোর চলাচল ঠেকাতে নজরদারি বাড়িয়েছে জলপাইগুড়ি ট্রাফিক পুলিশ।

কোনো টোটো যাতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাতীয় সড়কে উঠতে না পারে, তার জন্য জলপাইগুড়ি ট্রাফিক পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ই-রিক্সার চলাচল নিয়ন্ত্রণে সোমবার সকাল থেকেই হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশ, সিভিক ভলেন্টিয়ার থেকে অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা পাহারা বাড়িয়েছেন।  

আরও পড়ুন: হিন্দমোটরে ফিরছে গাড়ি কারখানা! হুগলিতে কর্মসংস্থানের আশায় উচ্ছ্বসিত শ্রমিকরা

রোদ-জল উপেক্ষা করেই বর্তমানে জাতীয় সড়কগুলিতে টোটোর অবৈধ চলাচল বন্ধ করতে পুলিশের তৎপরতার ছবি সামনে আসছে। সপ্তাহের শুরুতেই আজ জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশ একটি অভিযান চালায় এবং তারা জাতীয় সড়কে অবৈধভাবে যাতায়াত করা বেশ কয়েকটি টোটোকে আটকও করে। ব্যস্ততম জাতীয় সড়ক ও রাজ্যসড়কগুলিতে অবাধে টোটো চলার ফলে দুর্ঘটনা ও যানজটের ঝুঁকি বাড়ে। তাই সরকারি নির্দেশিকা বলবৎ করার জন্য মহাসড়কে এই ব্যাটারি চালিত গাড়িগুলির চলাচল বন্ধ করতে পুলিশ উদ্যোগী হয়েছে।

google button