অনন্যা সরকার, দিঘা: দিঘার (Digha) সমুদ্রে এবার শাড়ি ও সালোয়ার কামিজ পরে সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে নয়া নিয়ম জারি করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এছাড়া, সমুদ্র সৈকতে তামাকজাত দ্রব্য ও মদ্যপানও নিষিদ্ধ করতে চলেছে সরকার। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দিঘার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করতে ও যেকোনও ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য শীঘ্রই নয়া নিয়ম চালু করার পরিকল্পনা করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
সমুদ্রে স্নানের ক্ষেত্রে নয়া নিয়ম জারি করতে পারে সরকার
সপ্তাহ শেষের দুটো দিন ছুটি কাটাতে বা হলিডেগুলোতে সমুদ্রপ্রেমী বাঙালিদের অন্যতম প্রিয় ডেস্টিনেশন মধ্যে একটি হল দিঘা। আর দিঘায় গিয়ে সমুদ্রে স্নান করার একটা হুজুক সব সময়ই দেখা যায়। কিন্তু অসাবধানতার ফলে অনেক সময়ই উত্তাল সমুদ্রে ঘটে যায় বিপদ। তাই দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করতে গিয়ে সরকারের নয়া নির্দেশিকা সর্ম্পকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: মালদায় তৃণমূল ঘনিষ্ঠর ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার কোটি কোটি টাকা, রাত থেকে চলছে গোনার কাজ
তিনি জানান, সপ্তাহের শেষ দিন দুটিতে দিঘায় ঘুরতে এসে অনেক পর্যটকই সমুদ্রে স্নান করতে নামেন। অনেক মহিলাকেই শাড়ি বা সালোয়ার পরে জলে নামতে দেখা যায়। এই পোশাকগুলি দুর্ঘটনা ঝুঁকি বাড়ায়। তাই স্বাস্থ্যমন্ত্রী পর্যটকদের নিরাপত্তা জন্য সুইমসুট বা সমুদ্রে স্নান করার উপযোগী পোশাক ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে সমুদ্র সৈকতে শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করে দেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: প্রায় প্রতি ঘরেই যমজ সন্তান! ভারতের এই ‘টুইন টাউন’ হার মানিয়েছে বিজ্ঞানকেও
তিনি বলেছেন, ভারতীয় সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সুইমশ্যুট পাওয়া যায়। তবে সেই পোশাকে যদি কারও অসুবিধা থাকে, তাহলে তারা শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ পরতে পারেন। সেক্ষেত্রে এমন রংয়ের পোশাক পড়তে হবে, যাতে দূর থেকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। এছাড়া, সী বিচ ও তার আশেপাশে মদ্যপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। সৈকতে প্রত্যেক ১০০ মিটারে প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞ মোতায়েন থাকবেন, এরসাথে আরও উন্নত লাইফগার্ডিং (Lifeguarding) ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও করা হচ্ছে। এছাড়া, রেস্টুরেস্ট ও খাবারের দোকানগুলিতে বার্ন কেয়ার ইউনিট খোলার সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার।










