সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ভোটের আগে সিউড়ি-নলা নতুন রেলপথের (Suri Nala Railway Line) ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী শুরু হয়েছে আলোচনা। মূলত আলোচনা শুরু হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ ও সিউড়ির স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে। কোন পথে হবে নতুন রেলপথ, স্টেশনের নাম কী হবে, কোথায় কোথায় হবে স্টেশন ইত্যাদি ব্যাপারে শুরু হয়েছে আলোচনা।
সিউড়ি-নলা নতুন রেললাইন নিয়ে তৎপরতা রেলের
সিউড়ি থেকে নলা ও সিউড়ি থেকে প্রাক্তিক, এই দুই পথে রেল পরিষেবার দাবি দীর্ঘদিনের। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রস্তাবিত এই দুই পথে রেল পরিষেবা শুরু হলে জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রভূত উন্নত হবে, সুবিধা হবে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
নির্বাচনের আগে সিউড়ি থেকে নলা রেলপথের ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি এখন সিউড়ির বিধায়ক ও রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী। খবর অনুযায়ী, মন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারের সঙ্গে প্রস্তাবিত রেলপথ নিয়ে কথা বলেছেন। আলোচনার মাধ্যমে প্রকল্প সম্পর্কিত বিভিন্ন সম্ভাবনা ও সমস্যার কথা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
প্রশাসনকে চিঠি রেলের
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আলোচনার কয়েক ঘণ্টা পরেই জেলা প্রশাসনের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল রেল। কোন পথ হবে নতুন রেলপথ, কোথায় হবে নতুন স্টেশন, নতুন স্টেশনের নাম কী হবে, এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়েছে চিঠির মাধ্যমে। চিঠি পাওয়ার পর নতুন রেলপথের সম্ভাব্য রুট ও নাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: গ্যাসের পর দাম বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের, দেখুন নয়া রেট
এবার রেল কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের অপেক্ষা। জেলা প্রশাসনের প্রস্তাব মেনে রেল যদি অনুমোদন দেয়, তাহলে শুরু হবে জমি বাছাই ও জমি অধিগ্রহণের কাজ। কাজটি সহজ নয় এবং অবশ্যই সময়সাপেক্ষ। তবে, আলোচনা পর্যালোচনার মাধ্যমে পুরো বিষয়টা এগোতে থাকলে প্রকল্পের কাজে গতি বজায় থাকবে বলে আশা করা যায়। এই সিউড়ি–বক্রেশ্বর–রাজনগর হয়ে নালার সঙ্গে রেল যোগাযোগ গড়ে উঠলে এই বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগের সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। পাশাপাশি বক্রেশ্বরের পর্যটন, রাজনগরের ঐতিহ্য, কৃষিপণ্য পরিবহণ এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য নতুন গতি পেতে পারে।










