বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: স্বাধীন প্রশাসক হিসেবে ভারতে 25 বছর পূর্ণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। আর সেই উপলক্ষ্যেই জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে পাকিস্তানকে (Pakistan) নাম না করে নিশানা করলেন তিনি। এদিন ভারতের শক্তি সম্পর্কে শত্রুদের বার্তা দেওয়ার সাথে সাথে বিকশিত ভারত থেকে শুরু করে 370 ধারা প্রত্যাহার, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। একই সাথে নাম না করে পাকিস্তানকে অপারেশন সিঁদুরের কথাও স্মরণ করালেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, “ঘরে ঢুকে মেরেছি”
পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর!
বুধবার, দিল্লির বুকে আয়োজিত উন্নত ভারত সংকল্প সভায় বক্তিতা রাখতে গিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। মাওবাদ দমন থেকে শুরু করে 370 ধারা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “আজকের দিনে 370 ধারা অতীত হয়ে গিয়েছে। নকশালদের কোমর ভেঙে গিয়েছে।” সাম্প্রতিক সময়ে হওয়া জঙ্গি হামলা এবং তার প্রতিবাদ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটা সময় ছিল যখন সন্ত্রাসীরা নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াতো। যখন তখন দেশের বুকে হামলা চালাতো। সাধারণ মানুষ ধরেই নিয়েছিল এর কোনও সমাধান নেই। তবে সময় পাল্টেছে। জঙ্গিদের কোমর ভেঙে দিয়েছি আমরা। গোটা বিশ্ব এখন শক্তিশালী ভারতকে দেখছে।”
প্রধানমন্ত্রীর সংযোজন ছিল, “গোটা বিশ্ব যে নতুন ভারত দেখছে সেখানে সন্ত্রাসীদের কোনও জায়গা নেই। সন্ত্রাসবাদ দমন করতে ভারত সবার প্রথমে পদক্ষেপ নেবে! আমরা ঘরে ঢুকে মেরেছি।” এদিন নিজের ভাষণের মধ্যে দিয়ে সন্ত্রাসবাদ দমন করতে প্রধানমন্ত্রী যেসব মন্তব্য করেছেন সেগুলি যে পাকিস্তানকে উদ্দেশ্য করেই সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। আসলে বুধবার নিজের ভাষণের মধ্যে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছেন, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের মতো শত্রুরা ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকালে সেই চোখ উপড়ে ফেলা হবে!
🚨 BIG STATEMENT BY PM MODI
“In a decade, 35 crore people lifted out of poverty, who even imagined it? But India did it. What was once BEYOND IMAGINATION, we ACHIEVED.”
“I have FULL FAITH in the STRENGTH of 140 crore Indians. My 35 years of experience tells me: we will see a…
— Megh Updates 🚨™ (@MeghUpdates) October 7, 2026
আরও পড়ুন: ‘গঙ্গা জল চুক্তিতে নেপালকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে’ ভারতকে চাপে ফেলে দাবি বাংলাদেশের!
প্রসঙ্গত, এদিন নাম না করে পাকিস্তানকে বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি দেশের উন্নতিতে ছয়টি লক্ষ্য বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী। বিকশিত ভারত থেকে শুরু করে ভারতকে বিশ্বের সেরা 3 অর্থনীতির দেশ গড়ে তোলা, আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে সকলকে স্বাবলম্বী করে তোলা, মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারতের আধিপত্য মজবুত করা থেকে ভারতে অলিম্পিক গেমস আয়োজন, দেশে ম্যানুফ্যাকচারিং হাব তৈরির মতো মোট 6টি লক্ষ্যের কথা জানান দেশের চৌকিদার।










