সহেলি মিত্র, কলকাতা: বড়সড় বিমান দুর্ঘটনা (Plane Crash) ঘটে গেল। শুক্রবার কঙ্গোতে (Congo) একটি ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেনাবাহিনীর একটি বিমান ভেঙে পড়ার ফলে দুই শীর্ষ লেফটেন্যান্ট জেনারেলসহ মোট ১৪ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর। ঘটনাটিকে ঘিরে প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
সেনাবাহিনীর বিমান ভেঙে ১৪ জনের মৃত্যু
এই বিষয়ে কঙ্গোর সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি আকেঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দুর্ঘটনাটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সূত্রের খবর, নিহতদের মধ্যে কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তি রয়েছেন, সামরিক আদালতের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুতোম্বো কাতালাই তিয়েন্দে এবং সশস্ত্র বাহিনীর অডিটর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল বাকুমি লিকুলিয়া। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিম কঙ্গোর কিকউইট শহর থেকে রাজধানী কিনশাসা ফিরছিল।
উড্ডয়নের সময়ে বিমানটিতে হঠাৎ একটি গুরুতর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়, যার ফলে পাইলট নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং বিমানটি কেঙ্গে এলাকার কাছে ভেঙে পড়ে। দুই জেনারেল, প্রতিনিধিদলের ১২ জন সদস্য এবং বিমানে থাকা পাইলটদের কেউই বেঁচে নেই। প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর রেমি সাকি বোকিন্দা বলেছেন, বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেটি কেঙ্গেতে অবতরণের চেষ্টা করে, কিন্তু সেটি মাটিতে পড়তেই আগুন ধরে যায়।
দুর্ঘটনার কারণ কী?
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ট্রাইফোন কিন-কাই মুলুম্বা বলেছেন, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আকেঙ্গের মতে, একটি বিস্তারিত তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ অলি পাবের জন্যই বিজেপির থেকে পেয়েছেন ২.৫০ লাখ? এবার মুখ খুললেন সায়ক
এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন কঙ্গোর সেনাবাহিনী গত বছর থেকে পূর্বাঞ্চলে রুয়ান্ডা-সমর্থিত এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীসহ বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী দলের বিরুদ্ধে এক তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এম২৩ বিদ্রোহীরা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আক্রমণ চালিয়ে কঙ্গোর বেশ কয়েকটি প্রধান শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, এর ফলে দেশের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে উঠেছে।










