প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটা দিন, তারপরেই শুরু হতে চলেছে বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গাপুজো। শাস্ত্র অনুযায়ী, ভাদ্র পূর্ণিমার পরবর্তী প্রতিপদ থেকে অমাবস্যা তিথি পর্যন্ত সময়কাল হল পিতৃপক্ষ। তারপরই মহালয়ার (Mahalaya 2026) দিন পিতৃপক্ষের অবসান হয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে এই দিন কিছু টোটকা (Mahalaya Rituals) মেনে চললে আমরা যেমন আমাদের ভাগ্যের হাল ফেরাতে পারি। ঠিক তেমনই আবার এমন কিছু কাজ রয়েছে যা এই দিন একেবারেই করা উচিত নয়। কিন্তু সেই কাজগুলি কী তা আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
মহালয়া নিয়ে রয়েছে বিতর্ক
চলতি বছর, পিতৃপক্ষ শুরু হয়েছে ২৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার, রাত ১০টা ২০ মিনিটে যা শেষ হবে ১০ অক্টোবর, শনিবার। ওইদিনই মহালয়া। অনেকেই বলেন এই মহালয়া নাকি শুভ, অনেকে আবার বলেন মহালয়া শুভ নয়। এই নিয়ে যদিও এখনো তর্ক বিতর্ক চলছে। কিন্তু জানেন কি ওইদিন কয়েকটি নির্দিষ্ট কাজ করলে আপনার জীবনে ঘনিয়ে আসতে পারে দুর্যোগ, এমনটাই দাবি করছেন বহু জ্যোতিষী।
মহালয়ার দিন এই কাজগুলি করবেন না!
- জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, এদিন হিন্দুদের আমিষ খাওয়া একদমই উচিত নয়। এমনকী, প্রিয়জনের ছবির সামনেও আমিষ খাবার দেবেন না। এতে বাড়িতে নাকি নেতিবাচক শক্তির আবির্ভাব ঘটে এবং জীবনে নানা বাঁধার মুখে পড়তে হয়। মহালয়ার দিন পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে একটা তামার ঘটিতে কাঁচা দুধ, কালো তিল, আতপ চাল, সাদা ফুল এবং গঙ্গা জল মিশিয়ে কোনও ফাঁকা জায়গায় ঢেলে দিন।
আরও পড়ুন: পুজোর আগেই মুখে কালো দাগ দূর করুন এই ৩ ঘরোয়া ফেসপ্যাকই
- এদিন বাড়িতে কোনও শুভ কাজ না করাই ভালো। অর্থাৎ কোনও বিয়ের অনুষ্ঠানের জিনিসপত্র কেনা অথবা গাড়ি-বাড়ি কেনার পরিকল্পনা কোনো কিছু না করাই ভালো। এছাড়াও এদিন ক্ষৌরকর্ম অর্থাৎ চুলদাড়ি কাটা উচিত নয়। পাশাপাশি ধূমপান কিংবা মদ্যপানও করা চলবে না।
- যত কাছের মানুষ হোক না কেন, মহালয়ার দিন কাউকে কিছু ধার দেবেন না। মাটিতে গর্তও খুঁড়বেন না। এছাড়াও ওইদিন যেন কোনও ভিক্ষুক খালি হাতে না ফিরে যান। তাঁকে অবশ্যই কিছু না কিছু খাবার দিন। সেই সঙ্গে গরিব মানুষদের বস্ত্র বা খাদ্য দান করলেও তা শুভ বলে ধরা হয়। মহালয়ার দিন যদি সম্ভব হয়, তা হলে বাড়িতে পাঁচ জন কিংবা সাত জন পুরোহিত সেবা করা উচিত।










