চার ঘণ্টার বিজেপিদের টিকিট নয়, পুজোর মধ্যেই পুরভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ! ইঙ্গিত শমীকের

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বাংলায় ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম শাসক দল হিসেবে পুরভোট (KMC  Election) লড়বে ভারতীয় জনতা পার্টি (Bhartiya Janata Party)। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে সেই নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি। কীভাবে নির্বাচন আয়োজন করা হবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। দফায় দফায় হচ্ছে বৈঠক। রাজ্য বিজেপির তরফে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পুজোর আগেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলা হবে। এমনকি তার পর পরই অর্থাৎ পুজোর মধ্যেই প্রার্থীদের নামও ঘোষণা করতে পারে বিজেপি।

প্রার্থীদের হাতে এক মাসেরও বেশি সময় দিতে চাইছে বিজেপি

রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর কলকাতা পুরো ভোটে বিশেষ নজর দিয়েছে বিজেপি। দফায় দফায় তৈরি হচ্ছে কৌশল। গোটা বিষয়টাই মনিটারিং করছেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসল। এছাড়াও সুকান্ত মজুমদারের মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে কলকাতার পুরো ভোটের ইনচার্জ করা হয়েছে। দায়িত্ব পেতেই ময়দানে নেমে পড়েছেন সুকান্ত। ওদিকে কো ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সবমিলিয়ে, একেবারে পুরোপুরি তৈরি হয়ে ভোটের লড়াইয়ে নামতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

সূত্রের যা খবর, কলকাতা পুরসভার প্রচারে ওয়ার্ড ভিত্তিক 6 দফার কৌশল নেওয়া হয়েছে। আসলে নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা যাতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে নিজেদের প্রচারটা ভালভাবে সারতে পারেন, এজন্য হাতে অন্তত একমাস বা তার থেকেও বেশি সময় রাখতে চাইছে বিজেপি। সাধারণত, পুরো ভোটে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন জমা দিতে হয় মন্ডল বা জেলা নেতৃত্বের কাছে। সেখান থেকে তা যায় রাজ্য স্তরে। পরে রাজ্য স্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুরোভোটের কমিটি আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করেন। তাতে মতামত জানান কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা।

জানা যাচ্ছে, পুরনো নিয়ম বহাল থাকলেও এবার নিজেদের ভোটের কৌশলে কিছুটা নতুনত্ব যোগ করতে চাইছে বিজেপি। প্রত্যেক ওয়ার্ডে প্রার্থী হওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই 10 থেকে 12 জন করে দাবিদার রয়েছেন। পুরোভোটের প্রার্থী হওয়ার আবেদন পত্র জমা দেওয়ার জন্য ড্রপবক্স চালু করার চিন্তা ভাবনা করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। নিজেদের কৌশল তৈরির সাথে সাথে নির্বাচনী ইস্তেহার তৈরির জন্য জনতার মতামত নিতে পারে রাজ্য বিজেপি।

আরও পড়ুন: মালদায় ১৫০ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির টেনে নিন গঙ্গা, কান্নায় ভেঙে পড়লেন গ্রামবাসী

উল্লেখ্য, চার ঘন্টার বিজেপিদের যে পুরভোটের টিকিট দেওয়া হবে না সেটা একেবারে পরিষ্কার করে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সম্প্রতি শমীক বাবু একেবারে খোলাখুলি জানান, “চার ঘন্টার প্লেয়ার চার ঘণ্টার জন্যই। এরা তো টি-টোয়েন্টি প্লেয়ার, আর আমাদের নির্বাচন তো টেস্ট ম্যাচ, অনেক খেলতে হবে! আমার মনে হয় ওদের অতটা মানসিকতা নেই।”