রেজিনগরে হুমায়ুন-পুত্রকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি, নন্দীগ্রামেও পাল্লা ভারী রথের

Published:

WB By Election 2026

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: একাধিক তর্ক বিতর্কের পর অবশেষে আজ, নির্বাচন কমিশনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, নন্দীগ্রাম (Nandigram) ও রেজিনগর (Rejinagar) বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের (WB By Election 2026) ফলাফল প্রকাশ্যে আসতে চলেছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনার পারদ বেশ চড়ছে। দুই কেন্দ্রেই অনেকটাই এগিয়ে বিজেপি। তবে টক্কর দিতে ছাড়ছে না কংগ্রেসও।

এগিয়ে হাসিরানি রথ

সরকার বদলের পর গত ৬ অক্টোবর প্রথম উপভোট হয়েছিল রেজিনগর এবং নন্দীগ্রামে। আজ সেটির ফলাফলের পালা। যেহেতু রাজ্যে ক্ষমতা পালাবদলের পর রাজনৈতিক সমীকরণ বদলেছে অনেকটাই তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে তবে কি এই নির্বাচনেও বিজেপি সেরা ফলাফল করবে। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল লড়েছে ফুটবলার চিহ্নে। জানা গিয়েছে, পোস্টাল ব্যালটের গণনা অনুযায়ী আপাতত নন্দীগ্রামে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ এবং রেজিনগরে ১৫০০০-এর বেশি ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। রেজিনগরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুল্লাহিল কাফি।

পিছিয়ে গেল হুমায়ুন পুত্র

রেজিনগরের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। শেষ আপডেট অনুযায়ী জানা গিয়েছে রেজিনগরে খুব বেশি ভোট পাচ্ছে না হুমায়ুন কবীরের পুত্র তথা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী গোলাম নবী আজাদ। এদিকে বিধানসভা নির্বাচনে ৬৯ হাজার ভোটের মার্জিনে জিতেছিলেন হুমায়ুন কবীর। তবে ভোটের ফলাফল নিয়ে খুশিতে ডগমগ এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। তাঁর কথায়, “বাংলায় এখন একটাই ক্যাসেট বাজবে, উন্নয়ন চাই, কলেজ চাই, শিল্প চাই। রেজিনগরে ব্রিজ চাই। সংখ্যালঘুরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান। আগের সরকারকে ত্যাগ করে বর্তমান সরকারে প্রবেশ করছেন সংখ্যালঘুরা।”

আরও পড়ুন: শেষ দিনেই বড় সিদ্ধান্ত! স্পিকারের নির্দেশে খারিজ শোভনদেবের আবেদন, স্বস্তিতে ঋতব্রত শিবির

কী বলছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান?

ভোটের ফলাফল নিয়ে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, “যেখানে মানুষ অবাধে ভোট দিতে পেরেছে, সেখানে কংগ্রেসে ভোট পড়েছে। কার কাছে রিপোল চাইব? যিনি রিপোল করাবেন, তিনিই তো ভোট করাচ্ছেন। নন্দীগ্রামে ঘুরে যা বুঝেছি, সঠিক ভোট হলে ২০ থেকে ২৫ হাজার ভোটে আমি জিততাম।” প্রার্থীর সঙ্গে একমত হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, “আমরা তো পুনর্নির্বাচন দাবি করেছিলাম। ভোট ভালোভাবে হলে মিলন প্রধান জিততেন।” এমতাবস্থায় রেজিনগরে বুথ থেকে বেরিয়ে গেলেন ঋতব্রত-তৃণমূলের প্রার্থী। জানালেন, বাড়িতে বিশ্রাম নিতে যাচ্ছেন তিনি। একটু ঘুমাবেন।

google button