৫ দশকের অন্ধকার কাটল রানীগঞ্জে! নেপালি ধাওড়ার ৬৮ পরিবার পেল বিদ্যুৎ পরিষেবা

Published:

Raniganj

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অবশেষে ঘুচল রানীগঞ্জের (Raniganj) পাঁচ দশকের অন্ধকার! বিজেপি সরকার ক্ষমতা দখলের পরেই শেষ পর্যন্ত বিধায়ক পার্থ ঘোষের উদ্যোগে নেপালি ধাওড়ার ঘরে ঘরে জ্বলল বিদ্যুতের আলো (Nepali Dhaora electricity)। স্থানীয়দের কথায়, এতদিন যেখানে বিদ্যুৎ পরিষেবার অভাবে জীবনযাত্রার মান নিম্নমুখী ছিল সেখানে আজ সেই অন্ধকার দূর করে দিয়ে নতুন আলোর দিশা দেখাল রাণীগঞ্জের বিধায়ক। সরকারের উদ্যোগে আনন্দে আপ্লুত সকলে।

তৃণমূলের আমলে নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিম বর্ধমান জেলার রানীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত নেপালি ধাওড়া এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক অভিযোগ ছিল। বিগত সরকারের আমল থেকেই তাঁরা স্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু বারংবার নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি দিলেও বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে কোনো রকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অবশেষে সরকার পরিবর্তনের পর সেই অন্ধকার অধ্যায় কাটল। বিধায়ক পার্থ ঘোষের উদ্যোগে নেপালি ধাওড়ার ঘরে ঘরে অবশেষে জ্বলল বিদ্যুতের আলো।

৬৮ টি পরিবারে পৌঁছে গিয়েছে বিদ্যুৎ পরিষেবা

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রানীগঞ্জের বিধায়ক পার্থ ঘোষের উদ্যোগে এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আর সেই কাজের সুবিধা আপাতত পেয়েছে প্রায় ৬৮টি পরিবার। যদিও এখন অনেক পরিবারই পাননি এই সুবিধা। সেক্ষেত্রে বিধায়ক পার্থ ঘোষের আশ্বাস খুব শীঘ্রই বিদ্যুতের পোলের কাজ শেষ হলে নেপালি ধাওড়ার বাকি বাড়িগুলোতে পৌঁছে যাবে বিদ্যুৎ সংযোগ। এদিকে প্রায় পাঁচ দশক পর ঘরে আলো জ্বলতেই স্বাভাবিকভাবেই খুব খুশি এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের কথায়, এতদিন বিদ্যুৎ পরিষেবার অভাবে দৈনন্দিন জীবনযাপন থেকে শুরু করে পড়াশোনা সব ক্ষেত্রেই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছিল। কিন্তু এখন সেই সমস্যা অনেকটাই মিটল।

আরও পড়ুন: বাংলায় কবে ঢুকবে শীত? বিরাট আপডেট হাওয়া অফিসের

বিধায়ক পার্থ ঘোষের কথায়, “আমার যা দায়িত্ব তা আমি সঠিকভাবে ক্রমাগত পালন করে চলেছি, ভবিষ্যতে আরও পালন করব, এরজন্য যদি বিরোধীদের কাছে ট্রোল হতে হয় হব, এতে আমার কিছু যায় আসে না, আমি আমার কাজ করে যাব। বিগত সরকারের কোনো ইচ্ছাই ছিল না বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়ার। কারণ এই কাজ করাটা খুব একটা কঠিন ছিল না। আমার বিশ্বাস এই বিদ্যুৎ পরিষেবা ধীরে ধীরে সকল পরিবারের কাছে পৌঁছে যাবে।”

google button